বরিশাল সিটি মেয়রকে ৭ কাউন্সিলরের লিগ্যাল নোটিশ

ব‌রিশাল সি‌টি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও স‌চি‌বকে লিগ‌্যাল নো‌টিশ দিয়েছেন সি‌টির সাত কাউ‌ন্সিলর।

রোববার (২ জানুয়ারি) দুপুরে আইনজীবী আজাদ রহমানের মাধ‌্যমে এই লিগ‌্যাল নো‌টিশ পাঠানো হয়।

লিগ‌্যাল নো‌টিশ দাতা ৭ কাউ‌ন্সিলর হলেন- ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হুমায়ন ক‌বির, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৌ‌হিদুল ইসলাম, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফ‌রিদ আহমেদ, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের জিয়াউর রহমান, ১ নম্বর ওয়ার্ডের আ‌মির হোসেন বিশ্বাস, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ মোহাম্মদ আ‌নিসুর রহমান ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের এনামুল হক বাহার।

লিগ‌্যাল নোটিশে দাতা সাত কাউ‌ন্সিলর পক্ষে আইনজী‌বী আজাদ রহমান উল্লেখ করেন, নো‌টিশ দাতাদের সি‌টি করপোরেশন থেকে সম্মানী ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও তারা ৪৩ হাজার ৫শ টাকা পাচ্ছে। কিন্তু অন‌্যান‌্য কাউ‌ন্সিলরদের ৫০ হাজার টাকা করেই দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের অনুম‌তি ছাড়া হো‌ল্ডিং ট‌্যাক্স এক হাজার পারসেন্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যাতে নো‌টিশ দাতারা জনগণের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে।

স্থায়ী বি‌ভিন্ন কর্মকর্তাদের বেআইনিভাবে ওএস‌ডি করে রেখে নো‌টিশ গ্রহিতারা মাস্টাররোলে অদক্ষ জনবল নিয়োগ দিয়ে সি‌টি করপোরেশন প‌রিচালনা করেছেন। মাস্টাররোলের কর্মচারীদের কোনো আইনি দায়বদ্ধতা না থাকায় তাদের কারণে জনগণের অপূরণীয় ক্ষ‌তি সা‌ধিত হতে পারে।

সরকা‌রি আদেশ নি‌র্দেশ অনুযায়ী বিসিসি প‌রিচালনার নিয়ম থাকলেও তা নো‌টিশ গ্রহিতারা খামখেয়ালীভাবে চালাচ্ছেন। এতে করপোরেশন স্থ‌বিরতা ও জন অসন্তোষ বাড়ছে।

হাট বাজার টেন্ডার প্রক্রিয়ায় না দিয়ে নি‌র্দিষ্ট ব‌্যক্তিদেরকে ইজারা দেওয়া হয়েছে বেআইনিভাবে। েইজারাদের অত্যাচারে অ‌তিষ্ঠ জনসাধারণ। যে কারণে নো‌টিশ দাতাদের সর্বত্র জবাব‌দি‌হি করতে হচ্ছে।

আইনজীবী আজাদ রহমান বলেন, নো‌টিশগ্রহিতাদের নো‌টিশ গ্রহণের ১৫ দিনের মধ্যে লি‌খিত জবাব দেওয়ার জন‌্য অনুরোধ করা হয়েছে। জবাব না পেলে আইনি ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.