এদিন শিয়ালদহ রেলস্টেশন থেকে মিছিল শুরু করে দুই সংগঠন।
এতে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী এবং এনসিপিআইয়ের প্রায় ৬০ জন সমর্থক অংশ নেন।
মিছিলটি বাংলাদেশ মিশনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আগেই নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুত ছিল কলকাতা পুলিশ। মিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেওয়া হয়।
এরপর বিক্ষোভকারীদের একাংশ ব্যারিকেড সরিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।
পরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের মিশনের সামনে যেতে বাধা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ মিশনের অনুমতি নিয়ে পাঁচজন প্রতিনিধিকে ভেতরে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চিন্ময়ের মুক্তির দাবি জানানো হয়। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরও বেশ কিছুক্ষণ মিশনের বাইরে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা বাংলাদেশ মিশন চত্বর ছেড়ে চলে যান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন সংসদ সদস্য দল ছাড়ার পর এনসিপিআই নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। দলটি বর্তমানে বিজেপি জোটের সঙ্গে যুক্ত। শনিবার তাদের একাংশও এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। দুই সংগঠনের যৌথ কর্মসূচি কেন্দ্র করে এদিন ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতার বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন এলাকা।

