আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী নাটালি হার্পের সম্পর্ক নিয়ে ফের সরগরম আমেরিকার রাজনীতি।
ট্রাম্পকে লেখা নাটালির দুটি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে জল্পনা ছড়ায় যে, নাটালি ‘হাইব্রিস্টোফিলিয়া’ বা অপরাধীদের প্রতি বিকৃত মানসিক আকর্ষণে ভুগছেন। তবে এই দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও জোরালো সত্যতা মেলেনি।
‘দ্য ডেইলি বিস্ট’-এ প্রকাশিত দুটি চিঠিতে নাটালির গভীর আবেগের প্রকাশ স্পষ্ট। একটি চিঠিতে তিনি ট্রাম্পকে নিজের “রক্ষাকর্তা” বলে উল্লেখ করেছেন, অন্যটিতে ট্রাম্পের পাশে সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনের পটভূমিতে তৈরি একটি বইয়ের কাজ করার সময় সাংবাদিক মাইকেল উলফ চিঠিগুলি পান। ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের অন্দরের লোকজনের থেকেই এই চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।
মনস্তত্ত্বের ভাষায় অপরাধীদের প্রতি যৌন বা মানসিক আকর্ষণকে ‘হাইব্রিস্টোফিলিয়া’ বলা হলেও, নাটালির এমন কোনও মানসিক ব্যাধি রয়েছে কি না- চিকিৎসাসংক্রান্ত সেই প্রমাণ মেলেনি। মূলত ট্রাম্পের প্রতি তাঁর অতি-আনুগত্যের কারণেই সমাজমাধ্যমে এমন জল্পনা ছড়ায়।
বাস্তবে ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বাসভাজন পাত্রী নাটালি। সোশ্যাল মিডিয়া সামলানো থেকে নথির প্রিন্টআউট এনে দেওয়া- সব দায়িত্বেই তিনি মূল কাণ্ডারী।
তবে সুরক্ষা ছাড়পত্র (সিকিওরিটি ক্লিয়ারেন্স) সংক্রান্ত জট এবং বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র ‘মাধ্যম’ হয়ে ওঠার কারণে আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল নাটালিকে ঘিরে। নতুন চিঠি প্রকাশ্যে আসায় জল্পনা আবারও তুঙ্গে।

