নাসরুল্লাহর বড় ভাই মাওলানা আহসান উল্লাহ বদর জানান, তারা চার ভাই ও তিন বোন।
আহসান উল্লাহ বলেন, রিয়াদে পৌঁছে নাসরুল্লাহ জেদ্দাগামী ফ্লাইটের বোর্ডিং পাস সম্পন্ন করেন। দলের সবার দায়িত্বে থাকায় তিনি সামনে অবস্থান করছিলেন।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে নাসরুল্লাহর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে তার খোঁজ নেওয়া হয়। রোববার বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা। যে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন, সেই প্রতিষ্ঠানের মালিক তাদের কাছে নাসরুল্লাহর মৃত্যুসনদ পাঠান।
নাসরুল্লাহর মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তাঁর বড় ভাই। একই সঙ্গে নাসরুল্লাহর তিন সন্তানের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
আহসান উল্লাহ বলেন, শিশুসহ তার তিনটি সন্তান রয়েছে। আমরা সবাই তার জন্য দোয়া চাই।
নাসরুল্লাহর বাবা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সে যোগাযোগ করেছিল। এরপর থেকে আর কোনো যোগাযোগ ছিল না। পরে আজ (রোববার) বিকেলে তার মৃত্যুর খবর পাই। আমরা তার লাশ দেশে আনার অপেক্ষায় আছি।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু রায়হান বলেন, খবর পাওয়ার পর নিহতের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়েছেন তিনি। নাসরুল্লাহর লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

