গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে সিলেটের বন্যাকবলিত মানুষ

সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার বন্যাকবলিত বেশির ভাগ মানুষ গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এ দুই জেলায় গোখাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক পরিবারের সংগ্রহে থাকা গোখাদ্য বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকে গবাদিপশু নিয়েই আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে গরু-ছাগল সঙ্গে রাখা বাড়তি ঝামেলা মনে করছেন তারা। ফলে গৃহপালিত এসব প্রাণি কম দামে বিক্রি করে দিতে চাইছেন অনেকে। কোরবানির পশুর হাটে এর প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শান্তিগঞ্জ থেকে সুনামগঞ্জ সদরে পথের দুই ধারে বিভিন্ন স্থানে গবাদিপশু বেঁধে রাখতে দেখা গেছে। পাশের গ্রামগুলোতে এখনো বন্যার পানি আছে। তাই মানুষ যেমন ফিরতে পারছেন না। নেই গবাদিপশু চরানোর জায়গাও। বোবা প্রাণিগুলোর জন্য এখন যত চিন্তা। এখনো বাড়ির আঙিনায় পানি। এছাড়া খড় পচে গেছে। এখন এগুলোকে কী খাওয়াবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন কৃষকরা।

তাহিরপুর উপজেলার গবাদিপশু নিয়ে মানুষের কষ্টে আছেন উপজেলাবাসী। তারা অনেকেই বাধ্য হয়ে এখন পানির দামে গবাদিপশু বিক্রির চিন্তা করছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, ৯০০ মেট্রিক টন গোখাদ্যের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, সিলেট জেলাতে বন্যার্ত মানুষ ও খামারিরা গবাদিপশু নিয়ে সংকটে আছেন। কোরবানির হাটে কম দামে এসব পশু বিক্রি করতে প্রস্তুত রয়েছেন তারাও। তবে বন্যার সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে কম দামে গবাদিপশু কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে না পারেন, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.