অ্যাডভোকেট আনসার খান:রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ-যা আর.এস.এস নামে সমধিক পরিচিত সেটার প্রতিষ্ঠাতা হলেন ভারতের নাগপুরের অধিবাসী কে.বি হেজগোওয়ার। ১৯২৫ সালের ২৭ শে সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত আর.এস.এস একটা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলো-যার মৌল উদ্দেশ্য ছিলো ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতা ও মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরোধীতা করা। তবে, দ্য হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া-গ্রন্থের ২০৯ পৃষ্টায় উল্লেখিত আছে যে, আর.এস.এস ভারতের ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী আধা সামরিক ও বেসরকারী একটা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যা বহুলাংশে ভারতের বর্তমান শাসক দল, বিজেপির মাতৃসংগঠন হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমানে আর.এস.এসের সদস্য সংখ্যা ৫০ থেকে ৬০ লাখ বলে অনুমিত এবং এর শাখা রয়েছে ৫১৩৫৫। এর মতাদর্শ হলো হিন্দু জাতীয়তাবাদ। আর.এস.এস ভারতীয় সংস্কৃতি ও সভ্যতার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার আদর্শ ধারণ ও বহন করে বলে দিনা নাথ মিশ্র তাঁর ‘আর.এস.এস মিথ ও বাস্তবতা’ বইয়ে উল্লেখ করেছেন।
আর.এস.এস হিন্দুত্ববাদী আদর্শ প্রচারের জন্য কাজ করছে। জাতীয়তাবাদী প্রচারণার আড়ালে হিন্দুত্ববাদ মূলতঃ ‘সম্প্রসারণবাদী এবং আধিপত্যবাদী হিন্দুধর্ম’ কনসাইজ অক্সফোর্ড ডিকশনারী অব পলিটিক্স এন্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস অনুসারে হিন্দুত্ববাদ শব্দটার মধ্যে ‘ফ্যাসিবাদী আন্ডারনেটস রয়েছে।’
আর.এস.এস হলো ঃ ভারতের সকল প্রয়োজনীয় হিন্দু মৌলবাদী সংগঠনের ‘মাদারপার্টি’। এর মধ্যে রয়েছে বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, শিব সেনা, ভারতীয় জনসংঘ, বানভাসী কল্যাণ আশ্রম, ভারত বিকাশ পরিষদ, রাষ্ট্রসেবিকা সমিতি, বিদ্যা ভারতী, দীনদয়াল সোধা সংস্থা, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। এ ধরণের শতাধিক সংগঠন ও সংস্থার মাধ্যমে আর.এস.এস তার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং এসবগুলো ‘সংঘ পরিবার’ নামে সুপরিচিত। বিশাল এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আর.এস.এস ভারতে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করেন ‘আর.এস.এস, অ্যা ভিউ টু দ্য ইনসাইড বইয়ের অন্যতম সহ লেখক ওয়াল্টার অ্যান্ডারসন।
গত তিন দশক ধরে আর.এস.এস ও ভারতে যে উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে ওয়াল্টার অ্যান্ডারসনের আলোচ্য বইয়ে। আজ থেকে ত্রিশ বছর আগের আর.এস.এস-এর থেকে বর্তমানের আর.এস.এসের তারতম্য কী এবং কেন এ পার্থক্যগুলো-সেটা তাৎপর্যপূর্ণ।
সর্বাধিক ও সুস্পষ্ট পার্থক্যটা হলো-আর.এস.এস এবং এর সাথে অনুমোদিত সংগঠনের পরিবারগুলো তখন প্রান্তিক খেলোয়াড় ছিলো এবং ভারতের বাইরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অজানা ছিলো এবং ভারতের ভেতরেও এটা তেমন সুপরিচিত ছিলো না। গত ত্রিশ বছরে আর.এস.এসে নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন এসেছে। আর.এস.এস এবং এর সংগঠনগুলোর পরিবার (সংঘ পরিবার) দ্রুত প্রসারিত হয়েছে; বিশেষতঃ ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে বাজার অর্থনীতি সংস্কার প্রবর্তনের পরে ভারতীয় অর্থনীতির প্রসারের সাথে মোটামুটিভাবে মিল রয়েছে। আর.এস.এসের প্রসারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটা হলো-প্রায় শতাধিক অনুমোদিত সংস্থার গঠন ও বৃদ্ধি যা দেশের কার্যতঃ সমস্ত অংশে প্রবেশ করেছে। বিশেষতঃ পূর্ব এবং উত্তর-পূর্বে যেখানে তারা পূর্বে দুর্বল ছিলো সেখানে এটা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিলো। এর মধ্যে রয়েছে বিজেপি, ভারতীয় মজদুর সংঘ, বিদ্যার্থী পরিষদ এবং ভারতের বৃহত্তম বেসরকারী স্কুল ব্যবস্থা। এ গ্রুপগুলোর বেশির ভাগই ১৯৯৪ সালের পরে বিকশিত হয়েছে, বলেন অ্যান্ডারসন। তিনি আরো বলেন-আমাদের ন’টি কেস স্টাডি থেকে ওঠে আসা সিদ্ধান্তের একটা হলো-এই সহযোগী সংগঠনগুলোর মাধ্যমেই আর.এস.এসের মতাদর্শ, ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি রাষ্ট্র ও সমাজে প্রতিফলিত হয়ে থাকে।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে আর.এস.এসের ওপর গবেষণাকারী আমেরিকান একাডেমিক জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনালের স্টাডিস বিভাগের দক্ষিণ এশিয়া স্টাডিজের সিনিয়র অ্যাডজুনেক্ট প্রফেসর ওয়াল্টার অ্যান্ডারসনের মতে, আর.এস.এস ভারতের প্রায় প্রতিটা অঞ্চলে প্রবেশ করতে শতাধিক অনুমোদিত সংস্থা গঠন করে এর সদস্য সংখ্যা ও প্রভাব বৃদ্ধি করেছে। এ সংস্থাগুলো নীতি প্রক্রিয়াগুলো তদবির করতে এখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। আর.এস.এসের প্রভাব এখন জাতীয় নীতিগুলোতে দেখা যায়-শিক্ষা থেকে শুরু করে বাণিজ্য এবং খাদ্য পর্যন্ত সমস্ত কিছুকে প্রভাবিত করে। এটি ভারতের পাবলিক স্কুল পাঠ্যক্রম গঠনে সহায়তা করে থাকে,-যা বিজেপির নেতৃত্বাধীন কয়েকটা রাজ্যের পাঠ্যক্রমে হিন্দু ধর্ম গ্রন্থকে ঐতিহাসিক সত্য হিসেবে শিক্ষা দেয়।
আর.এস.এস নিজেদেরকে একটা সামাজিক আন্দোলন হিসেবে পরিচয় দিলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে অংশ নিয়ে ভারতের একটা অগ্রণী হিন্দু জাতীয়তাবাদী সংগঠনে পরিণত হয়। ১৯৯০-দশকের মধ্যে এ সংগঠন অসংখ্য স্কুল, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শ প্রচারের উদ্দেশ্যে অসংখ্য ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে। সংগঠনটার হিন্দুত্ববাদী প্রচারণার প্রতি লক্ষ্য রেখে তাই অনেক সমালোচক আর.এস.এস-কে হিন্দুত্ব জাতীয়তাবাদী সংগঠন বলে অভিহিত করেন। হিন্দুত্ববাদ শব্দটা বিকল্পভাবে বর্তমান ভারতে ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদ’ ধারণাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। আর হিন্দুত্ববাদী আদর্শিক চ্যালেঞ্জ ভারতের পক্ষে শক্তিশালী হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ভারতের সংবিধান ও সমাজের বহুত্ববাদীতা বিপদের সম্মুখীন হয়ে আছে। আজকের ভারতে আর.এস.এস, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও হিন্দুত্ববাদী আদর্শ সমান্তরাল অবস্থানে স্থিত হয়েছে বিধায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, বিশেষ করে-মুসলিম সম্প্রদায় ও খৃস্ট সম্প্রদায় বিপদের সম্মুখীন হয়েছে।
লেখক ক্রিস্টোফিজেফরিলট তাঁর ‘রিলিজিয়ন, কাস্ট এন্ড পলিটিক্স ইন ইন্ডিয়া’-বইয়ে মন্তব্য করেন আর.এস.এসের প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্দেশ্য ছিলো হিন্দুত্ববাদের আদর্শ প্রচার করা ও সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে নতুন শারীরিক শক্তি সরবরাহ করা। এর আদর্শ ও গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদী সমাজের বিরোধী। এ সংগঠনের সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ নিজেকে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদে রূপান্তরিত করেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আর.এস.এস ইউরোপীয় ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর নিকট থেকে প্রাথমিক অট্টুপ্রেরণা অর্জন করেছিলো। পর্যায়ক্রমে এটা একটা হিন্দু জাতীয়তাবাদী ছাতা সংগঠনে পরিণত হয়,-এমন অনেক অনুমোদিত সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে যেগুলো তার আদর্শিক বিশ্বাস ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নানা ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলো-মন্তব্য করেন ‘আধুনিক বিশ্বব্যাপী চরমপন্থা ও চরমপন্থী গোষ্ঠীর এনসাইক্লোপিডিয়া’ এর স্টিফেন-ই-অ্যাটকিনস।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আর.এস.এসের নেতারা প্রকাশ্যে হিটলারের প্রশংসা করেছিলেন। হেজগোয়ারের পরে আর.এস.এসের প্রধান নেতা হওয়া মাধব সদাশিব গোলওয়ালকার হিটলারের জাতি বিশুদ্ধতার আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করেছিলেন বলে জানা যায়। এর নেতারা ইসরাইলের সমর্থক ছিলেন-অন্যতম নেতা সাভারকারও ইসরাইল প্রতিষ্ঠাকে সমর্থন দিয়েছিলেন। আর.এস.এস নেতা গোলওয়ালকার ইহুদিদের তাদের ‘ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ভাষা’ বজায় রাখার জন্য প্রশংসা করেছিলেন।
আর.এস.এস যেটা নিজেকে একটা সামাজিক আন্দোলন হিসেবে চিত্রিত করেছে-ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে দূরে থেকেছিলো এবং ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে কোনোও রকম প্রতিরোধে জড়িত হয়নি। এটা মুসলমানদের সাথে সহযোগিতা করার জন্য গান্ধীর ইচ্ছাকেও প্রত্যাখ্যান করেছিলো (চেতন ভট্টাচার্য ঃ হিন্দু জাতীয়তাবাদ, উৎস, ধারণা ও আধুনিক পুরান পৃষ্ঠা-১১৫)।
সংগঠনটা প্রতিষ্ঠার পরে হেজগোয়ার আর.এস.এস-কে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে দূরে রাখার ঐতিহ্য ও নীতি গ্রহণ করেছিলেন। ব্রিটিশ বিরোধী বলে চিহ্নিত হয় এমন কোনোও রাজনৈতিক কার্যকলাপ সাবধানতার সাথে এড়ানো হয়েছিলো।
১৯৪০ সালে আর.এস.এসের নেতা হওয়া এম.এস গোলওয়ালকর স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে বিচ্ছিন্নতা অব্যাহত রেখেছিলেন এবং আরও জোরদার করেছিলেন। তাঁর দৃষ্টিতে আর.এস.এস ব্রিটিশদের সাথে লড়াই করে নয়-‘ধর্ম ও সংস্কৃতি’ রক্ষার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। গোলওয়ালকর-এমনকি, ব্রিটিশ বিরোধী জাতীয়তাবাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এটাকে একটা ‘প্রতিক্রিয়াশীল দৃষ্টিভঙ্গি’ অভিহিত করেছিলেন-যা স্বাধীনতা সংগ্রামের পুরো পথটাতে বিপর্যয়কর প্রভাব ফেলেছিলো (তপন বসু-খাকি শর্টস, পৃষ্ঠা-২৯) ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র বিভাগের মতামত ছিলো-আর.এস.এস ব্রিটিশ ভারতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কোনোও বিপদ সৃষ্টি করেনি।
১৯২৭ সালে হেজগোয়ার আর.এস.এসের মূল কর্মীদের একটা কর্পস গঠনের লক্ষ্যে ‘অফিসার্স ট্রেনিং ক্যাম্প’ আয়োজন করেছিলেন যাকে তিনি প্রচারক বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবীদের প্রথমে সাধু হওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, পেশাদার এবং পারিবারিক জীবন ত্যাগ করে আর.এস.এসের উদ্দেশ্যে নিজেকে উৎসর্গ করার পরামর্শ প্রদান করেছিলেন। ক্রিস্টোফি জাফরলোটের মতে, অরবিন্দুর মতো জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি এই মতবাদটা গ্রহণ করেছিলেন। ত্যাগের ঐতিহ্যে আর.এস.এস-কে একটা হিন্দু সম্প্রদায়ের চরিত্র দিয়েছিলো।
আর.এস.এসের প্রতিষ্ঠাতা হেজগোয়ার এই সংগঠনকে একটা আদর্শিক কাঠামো দিয়েছিলেন এবং পুরো ভারতজুড়ে এটাকে একটা আকরের নেটওয়ার্ক হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। এর কিছু সদস্য সামরিক মহড়া ও অনুশীলনে অংশ নিয়েছিলো। সংগঠনের গাইড নীতি হলো ‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র’ হিসেবে রূপান্তরিত করা এবং একই সাথে সামরিকীকরণ করা। সমালোচকদের মতে সংগঠনটার কঠোর আদর্শটা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি অসহিষ্ণুতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
খাকী শর্টস এবং সাদা শার্টে ঢাকা আর.এস.এস ক্যাডাররা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ভারতীয় শহরে ও পার্কে এবং রাস্তার কোণে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করার জন্য, দেশাত্মবোধক গানে, গেমস খেলতে এবং ‘হিন্দু ভারতের’ অতীতের গৌরব সম্পর্কে কথা বলার জন্য জমায়েত হয়। এ গোষ্ঠীগুলোকে ‘শাখা’ বলা হয় এবং দেশব্যাপী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কর্মীদের নেটওয়ার্কের মেরুদন্ড বলা হয় এগুলোকে। সংগঠনের দাবি-সারা দেশের পঞ্চাশ হাজার গ্রামে ও শহরে ‘শাখা’ রয়েছে তবে এটা সদস্যপদ নিবন্ধন করে রাখে না।
আর.এস.এসের ওয়েবসাইট অনুযায়ী শুধুমাত্র হিন্দু পুরুষ-এ দলে যোগ দিতে পারেন। মহিলাদের জন্য রাষ্ট্রসেবিকা সমিতি (জাতীয় মহিলা স্বেচ্ছাসেবক কমিটি) নামে পৃথক একটা সংস্থা রয়েছে।
বর্তমান ভারতীয় রাজনীতিতে আর.এস.এস হলো এক বিশাল শক্তি। এর শতাধিক অনুমোদিত সংস্থার মধ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি হলো আর.এস.এসের অন্যতম অনুমোদিত সংস্থা। টপ বিজেপি সদস্যদের মধ্যে ৭০% শতাংশই হলো আর.এস.এসের সদস্য। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আর.এস.এসের সদস্য। তাই বলা হয়ে থাকে ‘নরেন্দ্র মোদী যদি এনডিএর মূখ হন-তবে আর.এস.এস হলো এর মূল’ (ইফ মোদী ইজ দ্য ফেইস অব এনডিএ আরএসএস ইজ ইটস রুট)
আরএসএস হলো ভারতের চরমপন্থী হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনের সাংগঠনিক মেরুদন্ড এবং মোদী হলেন হিন্দু চরমপন্থার মুখ। ফলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ভারতে অসহায়ত্বের মধ্যে পড়েছেন।
লেখক : আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক।

