মঙ্গলবার (২ জুন) এই প্রস্তাব প্রকাশ করে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর)। এতে বলা হয়, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এ পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবে কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ রয়েছে। এসব দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে আরও ৪৫টি দেশের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
এটি এসেছে এমন এক সময়, যখন জরুরি শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে পূর্ববর্তী শুল্ক কাঠামো বাতিল করা হয়েছিল। বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

