সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আব্বাস আরাগচি লেখেন, হরমুজ প্রণালির ঘটনাগুলো স্পষ্ট করেছে, একটি রাজনৈতিক সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই।
তিনি আরও লেখেন, পাকিস্তানের সৌজন্যমূলক প্রচেষ্টায় আলোচনা যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কিছু কুচক্রী মহলের দ্বারা আবারও কাদাজলের ফাঁদে (জটিল পরিস্থিতি) জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতেরও সতর্ক থাকা উচিত।
এক্সে দেওয়া এই পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম হলো প্রজেক্ট ডেডলক (অচলাবস্থা)
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার পরপরই ইরান হরমুজ প্রণালিতে বিদেশি জাহাজ চলাচলে অবরোধ আরোপ করে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের কারণে উপসাগরে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের করে আনতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন।
উপসাগরে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার করতে সোমবার সকাল থেকে প্রজেক্ট ফ্রিডম নামের একটি অভিযান শুরু করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই রুট দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এতে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, শতাধিক আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক বিমান, বহুমাত্রিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম এবং ১৫ হাজার সেনা সদস্য যুক্ত থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

