কণ্ঠস্বর ভালো রাখার জন্য যেসব অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন

জোরে চিৎকার করা, দীর্ঘক্ষণ কথা বলা অথবা বিশ্রাম নেওয়া ছাড়াই গান গাওয়ার মতো অভ্যাস থাকলে কণ্ঠের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। এতে কণ্ঠ বসে যেতে পারে, কথা বলায় অসুবিধা হতে পারে। কণ্ঠস্বর ভালো রাখতে হলে পেশীগুলো নমনীয় রাখা উচিত। এজন্য থেরাপিস্টরা শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন।

 

ডায়াফ্রাম্যাটিক শ্বাস-প্রশ্বাসসের ব্যায়াম কণ্ঠস্বরের জন্য খুবই উপকারী। এজন্য পিঠের ওপর ভর দিয়ে শুয়ে পড়ুন। এক হাত বুকের ওপর এবং অন্য হাত পেটের ওপর রাখুন। চারবার নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিন। এমনভাবে শ্বাস নিন, যাতে পেট ওপরে  ওঠে, কিন্তু আপনার বুক স্থির থাকে। তারপর, চারটি বার মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়ুন। টানা দশবার করুন। প্রতিদিন ৫ মিনিটের জন্য এই ব্যায়ামটি চেষ্টা করুন। কণ্ঠস্বর ভালো রাখার জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার কথা বলার শক্তি বৃদ্ধি করে।
এছাড়া কণ্ঠ ভালো রাখতে আরও কয়েকটি কাজ করতে পারেন।

 

 

পর্যাপ্ত পানি পান করুন
সারাদিন ধরে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে গলা হাইড্রেটেড রাখুন। কণ্ঠ শুষ্ক হয়ে পড়লে কণ্ঠস্বরের ক্ষতি হয়।

 

আরামদায়ক মাত্রায় কথা বলুন
খুব জোরে বা ফিসফিস করে কথা বলা এড়িয়ে চলুন। স্বাভাবিক মাত্রায় কথা বলুন।

গলার পেশী শিথিল রাখার চেষ্টা করুন
কথা বলার সময় বা গান গাওয়ার সময় গলার পেশী টানটান করে রাখবেন না, আরামদায়ক রাখুন।

 

ক্যাফেইন কম গ্রহণ করুন
অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরকে শুষ্ক করে দিতে পারে, তাই চা বা কফি পানের পরিমাণ কমান। ধূমপান ও মদ্যপান কণ্ঠস্বরের জন্য ক্ষতিকর, তাই এগুলো এড়িয়ে চলু।

উল্লেখ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন শরীর সুস্থ থাকলে কণ্ঠস্বরও ভালো থাকে, তাই পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিশ্চিত করুন।যদি আপনার কণ্ঠস্বরের কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থাকে, তবে একজন ENT বিশেষজ্ঞের  সাথে পরামর্শ করুন।

 

সূত্র: গিগওয়াইজ

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.