প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃপৃথিবীর ইতিহাসে এত ছাত্র এক সাথে হত্যা করার ইতিহাস বিরল, যা আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে ঘটেছে। পুলিশ এবং সরকারি দলের সদস্যরা যৌথ ভাবে পাখির মতো মানুষ মেরেছে। হাজার হাজার আহত করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া আহত রোগিদের উপরও তারা হামলা করেছে। পুলিশ ছাত্র হত্যা করে তাদের গাড়ির ছাদে লাশ নিয়ে সারা শহর ঘুরেছে। সরকার কারেন্ট, ইন্টারনেট লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেশটাকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। মনে হচ্ছে সরকার গণহত্যায় মেতে উঠেছে। এভাবে কোনো দেশ চলতে পারে না। এই অরাজকতার অবসান হওয়া দরকার। আমাদের ছাত্র ভাইদের বাঁচাতে আমরা ইতালিয় সরকারের সহযোগিতা চাই। আমরা চাই ইতালিয় সরকার বাংলাদেশ সরকারের উপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করুক ছাত্রদের রক্ত বন্যা থামাতে।
জোভান্নি পের উমানিতা নামক একটি মানবাধিকার সংগঠন শনিবার বিকেলে ভেনিসের প্রাণকেন্দ্রে এক বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে। এ সময়ে সংগঠনটির নেতা প্রিন্স হাওলাদার এসব কথা বলেন।
প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি অভিবাসী বাংলাদেশি বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেন। অনেক ইতালিয় নাগরিককেও সমাবেশে যোগ দিতে দেখা যায়। প্রতিবাদি অভিবাসীদের হাতে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে নানা রকমের শ্লোগান লেখা প্লাকার্ড ও ছবি দেখা যায়। তারা মুহুর্মুহু শ্লোগানে গোটা এলাকা প্রকম্পিত করে তোলেন। ছাত্র হত্যার দায়ে তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করেন।
প্রায় দুই ঘন্টা ধরে চলা বিক্ষোভ সমাবেশে ইতালিতে পড়াশুনা করা শিক্ষার্থীরা ব্যাপক হারে যোগ দেন। অনেক বাবা মা তাদের শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন।

