মনখারাপের কারণ যাই হোক, দাওয়াই আছে হাতের কাছেই ! ভরসা হোক কিছু খাবার

জীবন একটাই। অথচ চাহিদার শেষ নেই। স্বপ্ন প্রচুর। আর স্বপ্নপূরণ না হলেই জাঁকিয়ে বসে মনখারাপ। সেখান থেকে অবসাদ। শারীরিক কোনও সমস্যা হলে তার জন্য ওষুধ আছে। কিন্তু মনখারাপ হলে দোকানে গিয়ে ওষুধ কিনে আনার সুযোগ নেই। মনের কোণে একরাশ মেঘ জমলে যত ক্ষণ না চোখের কোল বেয়ে বৃষ্টি নামছে, মেঘ কাটে না। তবে অনেকের কাছেই মনখারাপেরও দাওয়াই হল খাবার। পছন্দের ফুচকা, আইসক্রিম, পাপড়িচাট খেয়ে খেলেই খানিকটা চাঙ্গা হয় মন। তবে সেটা সাময়িক। মনখারাপ পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে বরং ভরসা হোক অন্য কয়েকটি খাবার।

কলা

মন ভাল না লাগলে সেই মুহূর্তে একটা কলা খেয়ে নিতে পারেন। মন এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠবে। কলায় রয়েছে পটাশিয়াম, যা শরীরে তৎক্ষণাৎ স্ফূর্তি আনে। সেই সঙ্গে রক্ত সচল রাখতেও সাহায্য করে। রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে কলা।

কাঠবাদাম

মনের মধ্যে নানা জটিলতার খেলা থামাতে মুখে পুরে দিতে পারেন কাঠবাদাম। মন শান্ত হয়ে যাবে। কাঠবাদামে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, যা মস্তিষ্ক স্থির রাখে। এ ছাড়াও এই বাদামে থাকা ভিটামিন ই উদ্বেগ, অবসাদ দূর করে।

গ্রিন টি

চা খেলে মন ভাল হয়ে যায়। তবে গ্রিন টি খেলে মন চনমনে হবে দ্রুত। গ্রিন টি-তে রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিড, যা স্ট্রেস হরমোন ক্ষরণে রাশ টানে। কফির বদলে মনের মেঘ দূর করতে চুমুক দিন গ্রিন টির কাপে।

গ্রিক ইয়োগার্ট

মনখারাপে মিষ্টি খেলে আরও জাঁকিয়ে বসবে মনের ভার। মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করলে বরং গ্রিক ইয়োগার্ট খেতে পারেন। ওজনও বাড়বে না। আবার মনের চাপও কমবে। সুত্র, আনন্দবাজার পত্রিকা ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.