নিজের আঁকা প্রতীক হাতছাড়া মমতার! দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের আগে, দু’পক্ষের টানাটানিতে, কারও কাছেই আর রইল না ঘাসের উপর জোড়াফুল। কমিশনের অন্তবর্তী নির্দেশের পর, শুক্র বিকেলে বক্তব্য রাখবেন খোদ মমতা। তার আগেই যদিও, পাশে পেলেন সর্বভারতীয় রাজনীতির মঞ্চের জোট শরিকদের। অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম এবং ঘাসফুল প্রতীক ফ্রিজ হতেই, মমতার পাশে দাঁড়াল কংগ্রেস-সপা-আপ।
রাহুল গান্ধী টুইট করে লিখেছেন, ‘প্রথমে শিবসেনা, তারপর NCP, আর এখন তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবারই একই প্যাটার্ন—বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে একটি রাজনৈতিক দলকে ভেঙে দেয়। তারপর তার নির্বাচনী প্রতীকও কেড়ে নেওয়া হয়। যখন গোটা একটা রাজনৈতিক দলই চুরি হয়ে যেতে পারে, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ভোট চুরি হওয়াও আর অবাক করার মতো বিষয় নয়। ভোট চুরি। সরকার চুরি। এখন পার্টি চুরি—এগুলি আমাদের গণতান্ত্রিক পতনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ECI-এর সাংবিধানিক দায়িত্ব হল জনাদেশকে রক্ষা করা, কিন্তু উল্টে তারা সেই শক্তিগুলিকে সাহায্য করছে, যারা জনগণের রায়কেই উল্টে দেয়। এই লড়াই শুধু মমতা ব্যানার্জির নয়। এটি প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং প্রতিটি ভোটারের লড়াই, যারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়।’
অন্যদিকে কে সি বেণুগোপাল বৃহস্পতিবার রাতেই পোস্ট করে লেখেন, AITC-এর নাম ও প্রতীক স্থগিত করা আসলে নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনে দেওয়া জ্ঞানেশ কুমারের উপহার।
সঙ্গেই তিনি লেখেন, ‘ECI আবারও প্রমাণ করেছে যে তারা BJP-এর হাতে থাকা একটি পুতুল ছাড়া আর কিছুই নয়—গণতন্ত্রকে একটু একটু করে ধ্বংস করার একটি হাতিয়ার। শিবসেনা, NCP এবং এখন AITC-এর ক্ষেত্রেও তারা একই কাজ করেছে—যে-ই BJP-এর বিরোধিতা করে, তার সম্পূর্ণ নির্বাচনী অস্তিত্বই কেড়ে নেওয়া হয়।’ কমিশনের মমতা ব্যানার্জিকে প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়া উচিত বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে অখিলেশ যাদব লিখেছেন, ‘…আর কিছু বলার নেই… শুধু এটুকু জানতে চাই, আমাদের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামাগুলি কি পাওয়া গিয়েছে?’

