এক)
“উছিলা নয়, আল্লাহকে ভয় করুন”আল্লাহ পবিত্র কোরআন বলছেনঃ
প্রত্যেকেই মৃত্যুর সুবাদ গ্রহন করতে হবে। তবে বিশ্ব সংসারের অভিজ্ঞতা বলে এ স্বাদ গ্রহনটা বহুবিধ নিয়মে হতে পারে। মৃত্যু সেটা যেভাবেই হোক না কেনো চুড়ান্ত কথা হলো আল্লাহর নির্দেশই মৃত্যুদূত আজরাইল( আঃ) এ কাজটা করে থাকেন। জান কবজ করার অর্থ, দেহ থেকে আত্মাকে বিমুক্ত করা, মহাকালের মহানিয়মের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতায়।কার্যকারন সম্পর্কটা হলো মৃত্যুর৷ তাৎক্ষণিক কোন উছিলা। হতে পারে সেটা রোগ, পানিতে ডোবা, গাছ থেকে পড়ে যওয়া, আগুনে পুড়ে যাওয়া ইত্যাদি। আমরা কার্যকরণ নিয়ে যতোটা না ব্যস্ত, তার চেয়ে বেশী ব্যস্ত উছিলাকে নিয়ে।
অতএব, কোনো কিতাববিশ্বাসীই উছিলাকে ভয় না পেয়ে, দোষারোপ না করে নিয়ম মতো চিকিৎসা করুন এবং মহা সত্যের প্রতি অবিচল থাকুন। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন এবং তাকে, চিনার, জানার,, বুঝার ও উপলব্ধি করার চিন্তা- চেতনায় অধিকতর সিক্ত করুন।
দুই)
“হায় রে জ্ঞানী- গুনী- পন্ডিত- সাধক”
নাছিরউদ্দীন হোজ্জা, বীরবল, মোল্লাজী এ মাপের রাজ তাবেদাররা রাজা- বাদশাহদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে যেয়ে যে মেধা, দক্ষতা, জ্ঞান ও উপস্থিত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন তা ছিলো মুলতঃ এক ধরনের আর্ট, বিজ্ঞান, শিক্ষনীয়
এবং অনুকরনীয়।
বর্তমানে অধিকতর জ্ঞানী, গুনী, পণ্ডিত , মেধাবী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও আরো বড় মাপের সাধক, ঋষি প্রমুখ প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির আশেপাশে অবস্হান করেও তা থেকে অনেক পিছিয়ে আছেন। তফাৎটা হলো স্বার্থের খেলায় নির্লজ্জতা, নীচুতা, হীনমন্যতা ও সত্যেকে আড়াল করে রাখার পরিপক্কতা।
০১ মে
পৃথিবী নামক গ্রহটি মানুষের সাময়িক জীবনের অপকর্ম, নীতিহীনতা, ক্ষমতার দম্ভ, লোভ- লালসা, অন্যায়- অবিচার, শোষন ইত্যাদি নেতিবাচক বিস্ফোরণ আজ কম্পমান। টেকটোনিক প্লেটগুলো
যে কোন মুহূর্তে সাংঘর্ষিক ধারায় সবকিছু তছনছ করে দিতে পারে।
কতো ঔষধ, কতো ভেকসিন, কত প্রতিষেধক, কতো গবেষণা চলবে যদি না মহাসত্যের সূত্র গুরুত্বহীনভাবে অবহেলা করে চলা হয়। মানুষ দিশেহারা, হচকিত, সন্দেহপ্রবন, সংশয়বাদী ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় অথচ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্যর আলোকে নিজেকে চিনতে, জানতে ও বুঝতে পরছে না কেন আল্লাহ তাদের এখানে পাঠিয়েছেন?
নিছক খেলাাচ্ছলে ঘটেনি এটা, আর এ কথাগুলো যে পুস্তকাবলী ও বানীসমুহে হাজার হাজার বছর ধরে ধারণ ও বহন করা হচ্ছে তারই নাম ধর্মগ্রন্থ । ধর্ম হলো সৃষ্টির সাথে স্রস্টার সরাসরি সংযোগ মধ্যম।
অতএব সংকট সমাধানের মূলসূত্র, তথ্য ও তত্বকে এড়িয়ে বা তা থেকে দুরে থেকে মানুষ জ্ঞান, বিজ্ঞান, কারিগরি ও প্রকৌশলী উৎকর্ষতার দিকে একপেশে হয়ে যতই ধাবমন হোক না কেন সংকট আরো ঘনীভূত ও সর্বভুক হতেই থাকবে প্রতিনিয়ত জ্যামিতিকহারে।

সিনহা এন এ সাঈদ
|
AntwortenWeiterleiten
|

