ইসরাইল-আমিরাত চুক্তিঃমধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ     

অ্যাডভোকেট আনসার খান : সংযুক্ত আরব আমিরাত এই আগষ্টে দু’বারই  বিশ্বসংবাদের শিরোনামে এসেছে,আলোড়ন তোলেছে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে।এর ফলে ওই অন্জ্ঞলের ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রে সূদুরপসারি পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

         আলোড়ন সৃষ্টকারী ঘটনার একটি হলো,পহেলা আগষ্টে আরব রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে পারমাণবিক চুল্লির অধিকারী হয়েছে আমিরাত।
            দ্বিতীয় ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে     ভূকম্পনসৃষ্টকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, একই সাথে ওই অন্জ্ঞলের রাজনীতিতে নূতন মেরুকরণের ক্ষেত্র তৈরি করেছে।গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনা হলো,আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্হতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক ও স্বাভাবিক সম্পর্ক স্হাপনের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদন করেছে দেশ দু’টি।
          ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্হাপনে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আমিরাতের অবস্হান তৃতীয়। প্রথম সম্পর্ক স্হাপনকারী দেশ হলো মিসর এবং দ্বিতীয়টি হলো জর্ডান। তবে ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্হাপনকারী প্রথম আরব ও মুসলিম দেশ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। উল্লেখ্য যে,মিসর ও জর্ডান ইসরাইলের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখলেও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্হাপন করেনি অদ্যাবধি।
        ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডে আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর প্রবল আপত্তি উপেক্ষা করে  ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সূচনা থেকেই আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো ইসরাইলের সাথে কোনো ধরণের সম্পর্ক স্হাপনের বিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলো।ইসরাইলের অস্তিত্বের স্বীকৃতি দেয়নি ওই রাষ্ট্রসমূহ।ইসরাইলের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলোর তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিলো। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনী মুসলমানরা অব্যাহতভাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ করে আসছিলো আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সাহায়্য-সমর্থনে।ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ছিলো বন্ধুহীন একটি রাষ্ট্র।
     ইসরাইলের অস্তিত্বই ছিলো মধ্যপ্রাচ্যের অস্হিতিশীলতা ও সামরিক উত্তেজনার মূল কারণ।কিন্তু সাত দশকের ব্যবধানে আরব রাষ্ট্রগুলোতে বন্ধু খোঁজে পেয়েছে ইসরাইল। একসময়ের ইসরাইল বিরোধী আরব রাষ্ট্রসমূহের জোটে ভাঙ্গন ধরেছে এবং আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। কোনো কোনো আরব ও মুসলিম রাষ্ট্র ইসরাইলের সাথে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক ও জোট গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।এই ক্ষেত্রে আমিরাত অগ্রণী ভূমিকায় সামনে এসেছে ইসরাইলের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে। এই চুক্তি তাই মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-কৌশলগত রাজনীতিতে মেরুকরণের সম্ভাবনামূলক   ভূকম্পন সৃষ্টি করেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
         দশকের পর দশক ধরে ইসরাইল বিরোধী আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যে ঐকমত্য ছিলো তাতে ছিড় ধরেছিলো ইসরাইলের সাথে মিসর ও জর্ডানের সম্পর্ক স্বাভাবিকরণের ফলে এটি সত্য,তবে ইসরাইলের সাথে আমিরাতের চুক্তি স্বাক্ষর এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্হাপনের কারণে  ইসরাইল বিরোধী আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে তীব্র মতানৈক্য তৈরি হলো,কতিপয় মুসলিম রাষ্ট্র ইসরাইলকে তাদের কুলে তুলে নিয়ে আরব ও মুসলমানদের স্বার্থের পৃষ্ঠাঘাত করেছে বলে মনে করছে ফিলিস্তিনী মুসলমান জনগণ।
        আমিরাত ও ইসরাইল চুক্তি এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্হাপনের প্রেক্ষিতে বিশ্বপরিমন্ডলে এবং মধ্যপ্রাচ্যে এর পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো আরব ও মুসলিম রাষ্ট্র এই চুক্তির মধ্যে ভালো দিক খুঁজে পেয়েছে। আবার কিছু রাষ্ট্র এই চুক্তিকে ফিলিস্তিনী মুসলমানদের প্রতি আমিরাতের বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
      আমিরাত ইসরাইলের নিকট বিক্রি হয়ে গেছে বলে মনে করছে ফিলিস্তিনী মুসলমানেরা।ফিলিস্তিনী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এই চুক্তিকে, “ফিলিস্তিনী জনগণের ওপর আগ্রাসন”এবং”জেরুজালেমের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা”হিসেবে অভিহিত করেছেন।কট্টরপন্থী সংগঠন হামাস এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, “এটি ফিলিস্তিনীদের স্বার্থের প্রতি ছুরিকাঘাত” হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
       এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ও ভূ-কৌশলগত অবস্হানে প্রভাব বিস্তার করবে এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি ও সংগ্রামকে দূর্বল করবে,এমনটি মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা, এই চুক্তির ফলে ইসরাইলের প্রতি আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর বিরোধীতা স্হবির হয়ে যাবে এবং ফিলিস্তিনীদের মনোবল ও অবস্হান আগের চেয়ে দূর্বল হয়ে পড়বে। তাই ফিলিস্তিনী রাষ্ট্রের সম্ভাবনা বিনষ্ট হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
 এই চুক্তির কারণে সবচেয়ে বড় ক্ষতির মূখে পড়েছে ফিলিস্তিনী মুসলমানেরা,ফিলিস্তিনীদের স্বাধীনতার দাবির প্রতি উপেক্ষা ও তাদের স্বার্থকে অস্বীকার করার জন্য আরব ও মুসলিম বিশ্বের কোনো কোনো রাষ্ট্রকে এখন পাশে পাবে ইসরাইল।
     “ফিলিস্তিনের ইতিহাসে এটি একটি কালো দিন”বলেছেন ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আহমদ মাজদালানী।”এই চুক্তি আরব ঐকমত্যকে সম্পূর্ণ বিদায় করে দিয়েছে”,বলেন মাজদালানী।
       সুন্নি আরব রাষ্ট্রগুলো এখন ইসরাইলের তুলনায় ইরানকে বৃহত্তর শত্রু হিসেবে ভাবছে ও দেখছে। তাই ফিলিস্তিনীদের সাথে ইসরাইলের দ্বন্দ্বের সমাধানে ইসরাইল বিরোধী অবস্হানে থাকতে সুন্নি আরব রাষ্ট্রগুলো এখন কম আগ্রহী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
      মধ্যপ্রাচ্যের আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো মূলত নিজেরা একে-অন্যের প্রতি গভীর শত্রুতায় ও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে।১৯৭৯ সালের ইরানের ইসলামী বিপ্লব এবং রাজতন্ত্র থেকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ইরানের আত্মপ্রকাশ হওয়ার পর থেকে এই শত্রুতা ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি পেতে থাকে।
      অন্যদিকে,শিয়া-সুন্নি মুসলমান ভিত্তিক বিভাজন ও বিরোধ,প্রজাতন্ত্র ও রাজতন্ত্র এবং আন্জ্ঞলিক শক্তি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার অব্যাহত প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একদিকে,সুন্নি ব্লকে সৌদিআরব এবং অন্যদিকে,শিয়া ব্লকে ইরানের নেতৃত্বে ওই অন্জ্ঞলে দু’টি রাজনৈতিক ধারার বিকাশ ঘটতে দেখা যায়।এর থেকে পরস্পরের প্রতি বড় ধরণের বৈরিতা তৈরি হতে থাকে।মুসলিম ও আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এই বৈরিতার কারণে ইসরাইলের বিরুদ্ধে মুসলমান রাষ্ট্রসমূহের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ক্রমেই দূর্বল হয়ে পড়তে থাকে এবং কিছু আরব ও মুসলিম রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইসরাইলের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে।
       মূলত ইরানকে লক্ষ্য করেই একটি নতুন  মেরুকরণ মধ্যপ্রাচ্যে বিকাশ লাভ করতে থাকে এবং এই নতুন আন্জ্ঞলিক ভূ-রাজনীতির মেরুকরণের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যেকার চুক্তিকে।এই চুক্তিকে,বিশেষ করে,ইরানের নেতৃত্বাধীন প্রজাতন্ত্রের উত্থান ও শক্তি অর্জনের বিরুদ্ধে আরব রাজতন্ত্র ও রাজাদের ক্ষমতা ধরে রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
      “যখন ইরান রাজতন্ত্র থেকে প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়েছিলো এবং আয়াতুল্লাহ আল-হুসেনি আল-সিস্তানি এক ফতোয়া দিয়ে বলেছিলেন যে,”কেবল প্রজাতন্ত্রের সরকারই ইসলামে গ্রহণযোগ্য এবং রাজতন্ত্র ইসলাম বিরোধী, তখন থেকেই ইরান ও রাজতান্ত্রিক সৌদিআরব ও অন্যান্য রাজণ্য শাসিত মধ্যপ্রাচ্যের সরকারগুলোর মধ্যে আরও বেশি পরিমাণে শত্রুতা বৃদ্ধি পেয়েছিলো।” রাজতান্ত্রিক সরকারগুলো আরও ভীত হয়েছিলো যখন,ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনী ঘোষণা করেছিলেন,ইসলামি বিপ্লব সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।ফলে মৌলিক এই বৈরিতার কারণে ইসরাইলের পরিবর্তে রাজতান্ত্রিক সরকারগুলো ইরানকেই প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছিলো এবং ক্রমান্বয়ে এটি স্পষ্ট হচ্ছে।
     ইরান,-আমেরিকা ও ইসরাইলের চরম শত্রু, এটি সুবিদিত। ইসরাইলের অস্তিত্বই স্বীকার করে না ইরান।বিশ্ব মানচিত্র থেকে ইসরাইলের অস্তিত্ব মুছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ব ইরান ও এর মিত্ররা।অন্যদিকে, সৌদিআরব ও তার মিত্ররা ইসরাইলের প্রতি ক্রমেই নমনীয় হচ্ছে এবং আমেরিকা ইসরাইলের সমর্থনে বড় শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখছে।আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও সৌদিআরব বলয়ের রাষ্ট্রগুলোর সমন্বয়ে মধ্যপ্রাচ্যে একটি জোট গঠনের প্রচেষ্টা করে আসছে এবং এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যেকার সম্পাদিত চুক্তিকে দেখা হচ্ছে।
        মূলত,চীন,রাশিয়া ও তুরস্কের সমর্থনে ইরান ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী হয়ে ওঠছে,দেশটি ক্ষমতায়িত হচ্ছে। ফলে সৌদিআরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,বাহরাইন, ওমান প্রভৃতি ইরান বিরোধী আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো নিজেদেরকে একীকরণ, ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করতে সচেষ্ট হয়েছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইরানের প্রকৃত শত্রু ইসরাইলের সাথেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলতেও দ্বিধান্বিত নহে ইরান বিরোধী উপসাগরীয় আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ।এইসবের প্রতি রয়েছে আমেরিকার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সমর্থন ও সহযোগিতা।এটিই সত্য যে,মধ্যপ্রাচ্যের রাজতন্ত্রগুলো ও ইসরাইল সর্বদাই আমেরিকানদের প্রভাবের ছত্রছায়ায় ছিলো এবং আছে।
        এই অন্জ্ঞলে মূলত ইরান এবং এর জোট এবং সৌদিআরব ও এর জোটের মধ্যে কর্তৃত্ব এবং ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য চেষ্টা অব্যাহতভাবে চলছে এই কারণে ফিলিস্তিনীদের অধিকার ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রাজনীতির পরিবর্তে, রাজতান্ত্রিক শাসকগোষ্ঠী সজাগ ছিলেন যেন তাদের রাজত্ব ইরানের কারণে হুমকির মধ্যে না পড়ে।তাই,ইরানের হুমকি থেকে রাজতন্ত্র রক্ষার জন্য ওইসব রাজতান্ত্রিক শাসকরা আমেরিকা ও ইসরাইলের প্রতি ঝুঁকে আছে। আমেরিকার প্রভাবেই আমিরাতের রাজতান্ত্রিক শাসক ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্হাপন করেছে এবং অন্যান্য রাজতান্ত্রিক ও আমির শাসিত সরকারগুলোও আমিরাতকে অনুসরণ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
        এই চুক্তির স্বপক্ষে যুক্তি হচ্ছে, চুক্তির ফলে নতুন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব তৈরি করার এবং মধ্যপ্রাচ্যকে স্হিতিশীল করতে সহায়তা করতে পারে এমন সুরক্ষা জোট বিকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষায়,”এই চুক্তি আরও শান্তিপূর্ণ, সুরক্ষিত এবং সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য গড়ার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”
        বিশ্লেষকদের ধারণা,এইসব আশাবাদের কোনো ভিত্তি নেই।বরং এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যকে আরও উত্তেজনার দিকে,অস্হিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিবে,শান্তি, স্হিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির দেখা পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়বে।তবে,অদূর ভবিষ্যতে দূ’টি জোট দেখতে পাওয়া যাবে,এটি নিশ্চিত।
লেখক:আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.