সাংবাদিক প্রভাস আমিন তার ফেসবুকে কাজলে আটক অবস্থা ও তার ছেলের একটি ছবি পোষ্ট করে লিখেছেন, বাবা কাজল চৌদ্দ শিকের ভেতরে, ছেলে পলক বাইরে। ৫৪ দিনের লড়াই শেষে পলকের চোখে ক্লান্তি এবং একইসঙ্গে স্বস্তি, যাক, বাবা বেঁচে তো আছে।
সাংবাদিক লাবন্য ভূঁইয়া তার পোষ্টে কাজলের হাতকড়া পরানোর ছবির বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, তিনটা ছবি দিলাম। প্রথমটা জেলে একজন বিখ্যাত ফটোসাংবাদিক বাইরে তার পুত্র ।পরেরটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১/১১ সময় বন্ধী জীবন থেকে বেরিয়ে সাংবাদিক কাজলের মাথায় স্নেহের হাত।পরের টা হাতকড়াসহ সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম কাজল।আজ কি বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবস ছিল।সাংবদিকদের কি বার্তা দেয়া হল? শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ১/১১ সময়ে দেশ বিদেশে যার ছবি আলোড়ন তুলে ছিল ,সেই সাংবাদিক এমন কি অপরাধে হাতকড়া পরে।কাজলের একেকটি ছবি তত্ত্বাবধায়ক শাসনামলে বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে মুক্তি দেয়ার শ্লোগানের গান গাইত, সেই কাজলই তো আজকের কাজল।আমি একটি দলের বিশ্বস্ত কর্মী,তবে আমি কানা না।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন তার পোষ্টে জানতে চান,
সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম কাজলকে হাতকড়া কেন? জবাব চাই। বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সাংবদিকদের কি বার্তা দেয়া হল? নরসিংদীতে তিনজন গণমাধ্যমকর্মীকে জেলে নেয়া হলো। তথ্যমন্ত্রী মহোদয় জবাব দেবেন কি?
রাজনীতিক গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া তার পোষ্টে বলেছেন, দীর্ঘ সময় পর সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্ত থেকে উদ্ধার হয়েছে। শুকরিয়া মহান আল্লাহর দরবারে। পিতা-পুত্রের এক অভূতপূর্ব মিলন ঘটেছে। কিন্তু, প্রশ্ন থেকে যায় তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের আইনে মামলা হয় কিভাবে? সাংবাদিক কাজল তো বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে সে উদ্ধার হয়েছে। কেমনে কি বুঝি না। এর ব্যাখ্যা কি? আইনইবা কি বলে?
গুম থেকে ফিরে আসার প্রশাসনিক ও আইনী প্রক্রিয়ায় সাংবাদিক কাজল। আশা করি গুম ও নিখোঁজ অন্যেরাও এইভাবে আপনজনের কাছে ফিরে আসবেন। দেশবাসী এই ধরনের সবার ফিরে আসার অপেক্ষায়।
শুদ্ধস্বর/বিটি

