ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা : তৃতীয় বিশ্বের প্রকাশকদের যা করনীয়

সাত অক্টোবর থেকে এগারো অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনের ৭৮তম ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা শেষ হয়েছে। আয়োজকদের সমাপনী বিবৃতি অনুযায়ী, এবার মেলায় এসেছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার দর্শনার্থী। ১৩৭টি দেশের এই দর্শনার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার পেশাজীবী এবং ১ লাখ ১৭ হাজার সাধারণ পাঠক। অংশ নিয়েছে প্রায় চার হাজার প্রদর্শক, মেলা ও শহর মিলিয়ে হয়েছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি অনুষ্ঠান। গত বছরের তুলনায় প্রদর্শকের সংখ্যা কিছুটা কমলেও দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত থেকেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই বইমেলার আকর্ষণ যে এখনো অটুট, সংখ্যাগুলো তা-ই বলছে। তবে আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের প্রকাশকদের জন্য আসল প্রশ্ন হলো, এই মহাযজ্ঞ থেকে আমরা কী নিয়ে ফিরলাম এবং কী নিয়ে ফেরা উচিত ছিল।

এবারের মেলার কাঠামোতেই কিছু পরিবর্তন ছিল। দীর্ঘ ছয় দশক ধরে আন্তর্জাতিক প্রকাশকদের আশ্রয় হয়ে থাকা ছয় নম্বর হলটি কাঠামোগত সমস্যার কারণে হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় পাঁচশ প্রকাশককে সরিয়ে নেওয়া হয় ৪.২ হলে। লিটারারি এজেন্ট ও স্কাউটদের কেন্দ্র এবং রাইটস সেন্টারের ছয়শ মানুষ ঠাঁই পান ১.২ হলে। শুরুতে উদ্বেগ থাকলেও পরে প্রদর্শকেরা নতুন বিন্যাসের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনা আমাদের একটি সূক্ষ্ম শিক্ষা দেয়। বিশ্বের সবচেয়ে সুসংগঠিত মেলাতেও পরিকল্পনা বদলাতে হয়, আর সেই বদলের মধ্যেও যারা আগে থেকে প্রস্তুত, তারাই সুযোগ কাজে লাগায়।

এ বছর অতিথি দেশ ছিল চেক প্রজাতন্ত্র। বিশ শতকের ইউরোপীয় সাহিত্যে যে দেশ অমর নাম রেখেছে, তার সাহিত্য, অনুবাদ-সংস্কৃতি ও প্রকাশনার ইতিহাস উঠে এসেছে মেলার কেন্দ্রীয় আয়োজনে। মেলার বিদায়ী পরিচালক ইউর্গেন বুস দীর্ঘদিন ধরে ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া ও আইসল্যান্ডের মতো ছোট দেশকে অতিথি দেশের মর্যাদা দিয়ে একটি বার্তা দিয়ে এসেছেন: আকারে ছোট হলেও যে সাহিত্য মানসম্মত, বিশ্ব মঞ্চে তার জায়গা আছে। এই বার্তা বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা কিংবা আফ্রিকার প্রকাশকদের জন্য আশার জানালা। এ বছরই বুস দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন কার্লসেনের দীর্ঘদিনের প্রধান নির্বাহী ইয়োখিম কাউফমানকে। নতুন নেতৃত্বের সময় এই উদারতা কতটা টিকবে, সেটি দেখার বিষয়।

এখন আসা যাক তৃতীয় বিশ্বের প্রকাশকদের অর্জনের কথায়। এখানে একটি স্বচ্ছ স্বীকারোক্তি দরকার। মেলার সমাপনী প্রতিবেদনে উন্নয়নশীল দেশের প্রকাশকদের আলাদা করে কোনো বাণিজ্যিক হিসাব দেওয়া হয়নি। কত চুক্তি হলো, কত অনুবাদস্বত্ব বিক্রি হলো, তার পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান আসতে সময় লাগবে। তাই নির্দিষ্ট অঙ্কের দাবি না করে বলা যায়, অর্জনগুলো মূলত পরিচিতি, সংযোগ ও দৃষ্টিভঙ্গির স্তরে।

প্রথম অর্জন দৃশ্যমানতা। একটি বাংলা বই, একটি নেপালি উপন্যাস বা একটি সোয়াহিলি কবিতাসংকলন বিশ্বের হাজার হাজার সম্ভাব্য ক্রেতা ও অনুবাদকের সামনে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে হাজির হতে পারে, এমন সুযোগ ফ্রাঙ্কফুর্টের বাইরে প্রায় নেই। যে প্রকাশকেরা সাধারণ স্টলে বা যৌথ জাতীয় স্টলে অংশ নিয়েছেন, তাঁরা অন্তত এটুকু অর্জন করেছেন যে তাঁদের নাম আন্তর্জাতিক পরিসরে উচ্চারিত হয়েছে।

দ্বিতীয় অর্জন অডিও-জগতের সঙ্গে পরিচয়। এ বছর ফ্রাঙ্কফুর্ট অডিও বিজনেস সেন্টারে অডিবল, এলেভেনল্যাবস ও স্পটিফাইয়ের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আফ্রিকা, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার স্টার্টআপরাও জায়গা পেয়েছে। অডিও প্রদর্শকের সংখ্যা আগের চেয়ে বেড়েছে বলে জানিয়েছে আয়োজক পক্ষ। এর অর্থ, উন্নয়নশীল বিশ্বের উদ্যোক্তারা এখন আর কেবল দর্শক নন, কিছুটা হলেও অংশীদার। বাংলার মতো বিশাল ভাষাগোষ্ঠীর জন্য এটি এক বিশাল সম্ভাবনা, কারণ এখানে অডিওবুকের বাজার এখনো প্রায় অনাবিষ্কৃত।

তৃতীয় অর্জন নেটওয়ার্ক। রাইটস সেন্টার ও এজেন্টদের কেন্দ্রে যে কথোপকথন হয়, তার অনেকগুলোই এক বা দুই বছর পরে চুক্তিতে রূপ নেয়। প্রকাশকেরা নিজেরাই বলেন, তাঁদের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের একটি বড় অংশের সূচনা আগের কোনো ফ্রাঙ্কফুর্ট মেলার সাক্ষাৎ থেকে। তাই এবার যাঁরা সামান্য কয়েকটি যোগাযোগ গড়তে পেরেছেন, তাঁদের ফল ঘরে তুলতে হয়তো আগামী বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এবার শেখার প্রসঙ্গ। প্রথম শিক্ষা, বইমেলা এখন শুধু বই বেচাকেনার জায়গা নয়, বৌদ্ধিক সম্পত্তির বাজার। ফ্রাঙ্কফুর্টে প্রকাশকেরা বই বেচেন না, বেচেন স্বত্ব: অনুবাদ, অডিও, চলচ্চিত্র, ধারাবাহিক ও শিক্ষামূলক লাইসেন্স। এবারও বই থেকে পর্দার গল্পে রূপান্তরের জন্য আলাদা আয়োজন ছিল, যেখানে প্রকাশক ও চলচ্চিত্র-প্রযোজকেরা মুখোমুখি বসেছেন। আমাদের অনেক প্রকাশক এখনো লেখকের সঙ্গে চুক্তিতে কেবল মুদ্রণ-স্বত্ব নেন, বাকি স্বত্বের কোনো হিসাব রাখেন না। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতা এলে বিক্রি করার মতো স্পষ্ট স্বত্ব তাঁদের হাতে থাকে না। এই দুর্বলতা না কাটালে ফ্রাঙ্কফুর্টে যাওয়ার অর্থ থাকে না।

দ্বিতীয় শিক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন আর ভবিষ্যতের আলোচনা নয়, বর্তমানের বাস্তবতা। জার্মান প্রকাশক ও বই-বিক্রেতা সমিতির কর্তারা তরুণদের পড়ার দক্ষতা কমে যাওয়া এবং শিল্পের ওপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কথা বলেছেন, একই সঙ্গে আস্থাও প্রকাশ করেছেন। অনুবাদ, অডিও-কণ্ঠ ও প্রচ্ছদ নির্মাণে এই প্রযুক্তি দ্রুত ঢুকছে। ফ্রাঙ্কফুর্টের এ বছরের প্রতিবেদনগুলো থেকে স্পষ্ট, শিল্পটি এখনো এ নিয়ে দ্বিধায় আছে, আর সেই দ্বিধার মূল জায়গা স্বত্বের স্বচ্ছতা ও লেখকের ন্যায্য প্রাপ্য। তৃতীয় বিশ্বের প্রকাশকদের জন্য এটি দ্বিমুখী সতর্কতা। প্রযুক্তি আমাদের কম খরচে অনুবাদ ও অডিও তৈরির সুযোগ দিচ্ছে, আবার আমাদের লেখকদের কাজ কোনো চুক্তি ছাড়াই বিদেশি মডেলের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। বিধি-বিধান যেখানে দুর্বল, সেখানে এই ঝুঁকি আরও বেশি।

তৃতীয় শিক্ষা, প্রস্তুতিই মূল পুঁজি। যাঁরা সফল, তাঁরা মেলার আগেই কয়েক মাস ধরে সময় ঠিক করেন, ক্যাটালগ ও নমুনা অনুবাদ তৈরি রাখেন এবং কাদের সঙ্গে কী আলোচনা হবে তা স্থির করেন। অথচ আমাদের অনেক প্রকাশক ভ্রমণের খরচ জোগাড় করতেই এত ক্লান্ত হয়ে যান যে মেলার ভেতরের প্রস্তুতিতে মন দেওয়ার শক্তি থাকে না। একটি স্টলে কেবল সুন্দর বই সাজিয়ে রাখলে ক্রেতা আসে না। ইংরেজি , জার্মান, স্প্যানিশ , ফ্রেঞ্চ এবং আরবি ভাষায়  প্রথম ত্রিশ পৃষ্ঠার অনুবাদ, একটি পরিষ্কার সারসংক্ষেপ, লেখকের পরিচিতি, আর স্বত্ব কার হাতে তার প্রমাণ থাকলে তবেই আলোচনা এগোয়।

চতুর্থ শিক্ষা, অনুবাদ-অনুদানের জগৎ। আইসল্যান্ডের সাহিত্য কেন্দ্র এ বছর শিশু ও কিশোর সাহিত্যের অনুবাদে বিশেষ অনুদান রেখেছে, শেখ জায়েদ বুক অ্যাওয়ার্ডের অনুবাদ-অনুদান আরবি সাহিত্যকে বিশ্বে পৌঁছে দিচ্ছে। এই দৃষ্টান্তগুলো দেখায়, সাহিত্যের আন্তর্জাতিক যাত্রা রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তায় অনেক সহজ হয়। সেই কাঠামো আমাদের দেশগুলোতে প্রায় নেই। একই সঙ্গে ছোট একটি আশার খবরও আছে। আফ্রিকার মোজাম্বিকে স্থানীয় প্রকাশক, লেখক ও পাঠকদের জন্য অবকাঠামো, দক্ষতা ও বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে নতুন একটি বইমেলা শুরু হচ্ছে। অর্থাৎ নিজেদের মেলা গড়ে তোলার চেষ্টা উন্নয়নশীল বিশ্বেও চলছে।

এই অর্জন ও শিক্ষার আলোকে আগামী দিনে আমাদের করণীয় কী? আমার বিবেচনায় কয়েকটি বিষয় অগ্রাধিকার পাওয়া দরকার।

প্রথমত, একক স্টলের বদলে সম্মিলিত জাতীয় উপস্থিতি। জাপান ও মিসরের প্রকাশক সমিতি ফ্রাঙ্কফুর্টে বড় যৌথ স্টল নিয়ে নিজেদের শক্তি বাড়িয়েছে, এ কথা মেলার পুরোনো প্রতিবেদনেও আছে। বাংলাদেশের প্রকাশক সমিতি, বাংলা একাডেমি ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র যদি একটি সমন্বিত জাতীয় স্টল দেয়, তাহলে খরচ কমবে, মান বাড়বে, আর ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলা সাহিত্যের একটি স্থায়ী ঠিকানা তৈরি হবে।

দ্বিতীয়ত, স্বত্ব-ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল। প্রতিটি মাঝারি প্রকাশনা সংস্থায় অন্তত একজন স্বত্ব-ব্যবস্থাপক থাকা দরকার, যিনি লেখকের চুক্তি বোঝেন, আন্তর্জাতিক চুক্তির ধরন জানেন, এবং ক্রেতার সঙ্গে ইংরেজিতে আলোচনা করতে পারেন। এই প্রশিক্ষণ স্বল্প খরচে দেওয়া সম্ভব। প্রকাশক সমিতিগুলো এ ধরনের কর্মশালা আয়োজন করতে পারে।

তৃতীয়ত, বাছাই করা বইয়ের মানসম্পন্ন অনুবাদ। সব বই বিদেশে বিক্রি হবে না। দশটি সেরা বই বেছে নিয়ে সেগুলোর নমুনা অনুবাদ ও বিপণন-উপকরণ তৈরি করা, সব বইয়ের অগোছালো ক্যাটালগের চেয়ে বহুগুণ কার্যকর। সরকার ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থাগুলোকে অনুবাদ-অনুদান চালুর কথা ভাবতে হবে।

চতুর্থত, অডিও ও ডিজিটাল বাজারে নিজস্ব অবস্থান। বাংলাভাষী পাঠকের সংখ্যা বিপুল, অথচ বাংলা অডিওবুকের মানসম্মত বাণিজ্যিক কাঠামো প্রায় নেই। বিদেশি প্ল্যাটফর্ম এসে বাজার দখল করার আগে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের লেখক-চুক্তি, কণ্ঠশিল্পী ও রয়্যালটি-ব্যবস্থা সাজিয়ে নেওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কণ্ঠ ব্যবহার করলেও লেখকের সম্মতি ও পারিশ্রমিকের স্পষ্ট শর্ত থাকা চাই।

পঞ্চমত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে লেখকের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা। ইউরোপে এই বিষয়ে আইন ও বিতর্ক চলছে। আমাদের প্রকাশক ও লেখক সংগঠনগুলোকে চুক্তিতে প্রযুক্তি-প্রশিক্ষণসংক্রান্ত ধারা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং নীতিনির্ধারকদের কাছে আইনি সুরক্ষার দাবি তুলতে হবে। আজ নীরব থাকলে কাল আমাদের লেখকেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

ষষ্ঠত, অভ্যন্তরীণ পাঠক তৈরি। ফ্রাঙ্কফুর্টে প্রায় অর্ধেক দর্শনার্থী সাধারণ পাঠক। শহরজুড়ে হাজারো অনুষ্ঠান বইকে জনজীবনের অংশ করে রেখেছে। আমাদের দেশে বইমেলা মানে ফেব্রুয়ারির এক মাস। বছরজুড়ে পাঠচক্র, বিদ্যালয়-গ্রন্থাগার ও আঞ্চলিক মেলার মাধ্যমে পাঠাভ্যাস গড়ে না তুললে আন্তর্জাতিক সাফল্যের ভিত্তিও দুর্বল থাকবে। তরুণদের পড়ার দক্ষতা নিয়ে জার্মানির উদ্বেগ আমাদের জন্য আরও জরুরি।

সবশেষে একটি কথা পরিষ্কার করা দরকার। ফ্রাঙ্কফুর্ট কোনো জাদুকাঠি নয়। একটি মেলায় অংশ নিলেই রাতারাতি আন্তর্জাতিক সাফল্য আসে না। বহু প্রকাশক বছরের পর বছর গিয়েও ফিরে আসেন শুধু ক্লান্তি আর খরচের হিসাব নিয়ে। সাফল্য আসে তাঁদের, যাঁরা ধৈর্য ধরেন, প্রতিবার একই মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করেন এবং মানসম্মত কাজ ধারাবাহিকভাবে হাজির করেন। তৃতীয় বিশ্বের প্রকাশকদের হাতে সম্পদ কম, কিন্তু গল্পের ভান্ডার অফুরন্ত। যুদ্ধ, ভাষা-আন্দোলন, দেশভাগ, নদী, দারিদ্র্য আর স্বপ্ন নিয়ে আমাদের সাহিত্য পৃথিবীর যে কোনো পাঠককে নাড়া দিতে পারে। প্রয়োজন কেবল সেই গল্প বিশ্বের ভাষায় পৌঁছে দেওয়ার পেশাদার কাঠামো।

আগামী বছর ফ্রাঙ্কফুর্ট আবার বসবে। প্রশ্ন হলো, তখন আমরা কি আবার দর্শক হয়ে যাব, নাকি নিজেদের সাহিত্যের প্রতিনিধি হয়ে সেখানে দাঁড়াব? উত্তরটা আমাদের এখনকার প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করছে।

হাবিব বাবুল
প্রধান সম্পাদক, শুদ্ধস্বর ডটকম

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.