বঙ্গবন্ধুর একটি সত্য কাহিনী বা গল্প বলি :
গ্রামের একজন কৃষক তাঁর গাছের দুই জোড়া লাউ নিয়ে ঢাকায় সরাসরি বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাসায় এসে হাজির। প্রিয় বঙ্গবন্ধুকে তাঁর গাছের লাউ দেবেন বলে । বাড়ির গেইটে দায়িত্ব প্রাপ্ত লোক তাকে কোনো মতেই ঢুকতে দিচ্ছে না । নাছোড় বান্দা তিনিও শেখ সাহেবের সাথে দেখা এবং লাউ না দিয়ে যাবেন না । অতঃপর গেইটম্যান তাঁর প্যানপ্যানানির জোরে লাউগুলো নিয়ে দোতালায় সরাসরি বঙ্গবন্ধুর কাছে নিয়ে গেলেন। বঙ্গবন্ধু ঘটনা শুনে গেইটম্যানের হাতে ১০ টা টাকা ( সেই আমলে অনেক টাকা ) দিয়ে লোকটিকে দিতে বলে দিলেন। গেইটম্যান নিচে এসে লোকটির হাতে টাকাটি দিলো, তবে লোকটি গেইটের আশেপাশেই অবস্থান করলো, বঙ্গবন্ধু যদি নিচে আসে দেখা করেই যাবে। কোনো এক সময় বঙ্গবন্ধু নীচে নেমে আসলেন এবং লোকটির অপেক্ষার কথা জানতে চান । লকোটি বঙ্গবন্ধুকে বলেন আমি লাউয়ের ৫ টাকা পেয়েছি, তবে আমি আপনাকে আমার গাছের লাউ দিতে এসেছি , টাকার জন্য নয়, আপনাকে একবার দেখার জন্য মাত্র । বঙ্গবন্ধু তো ৫ টাকার কথা শুনে হতভম্ব ! বঙ্গবন্ধু লোকটিকে বলে , ভালো করে দেখো, ওখানে দশ টাকা আছে । লোকটি হাতে মোড়ানো টাকাটি বঙ্গবন্ধুকে দেখিয়ে বলে, এই তো আমার হাতে সেই কখন থেকেই পাঁচটাকা। বঙ্গবন্ধু আফসোস করে বললেন, হায় রে আমার ভাগ্য । যে দেশে দোতালা থেকে নিচের তলায় নামতে নামতে দশটাকা পাঁচটাকা হয়ে যায়, এই দেশকে আমি সোনার বাংলা বানামু কেমনে !
আমাদের দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যেমন মারাত্মক দূর্বলতা আছে, আইন প্রয়োগ করার যেমন দূর্বলতা আছে, আইন প্রয়োগকারীর যেমন অমানবিকতা ও দূর্বলতা আছে, পাশাপাশি জনমানুষেরও অনেক বুঝার ভুল আছে ও মানার ক্ষেত্রে অবহেলা আছে । এটার জন্য আমাদের সরকার এবং আমাদের জীবনব্যবস্থাটাই দায়ি । এটার অনেক ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে । আমার এই কথা শুনেই হঠাৎ করে কেউ ভুল বুঝবেন না আবার ।
পাশাপাশি বলতেই হয় স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের দেশের কোনো সরকারই এই অব্দি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের তেমন চেষ্টা করেনি ( ইতিপূর্বেই এক লেখায় সেটা লিখেছি )। জীবনমান কি হবে ? সেটার পরিকল্পনা সরকারগুলো ঠাহর করে উঠতে পারেনি। কেননা ৭১ এ সদ্য স্বাধীন দেশে জীবনমানের চেয়ে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা ছিলো জরুরি এবং পূর্বের সরকারগুলো সেটাই করার চেষ্টা করেছিলো, প্রমাণ দেওয়া যাবে।
তৎপরবর্তীতে ৮০ দশক থেকে মানুষের হার হলো দ্বিগুণ! বর্তমানে সেই দেশটিই ১৮ বা ২০ কোটি লোকের ভীরে জর্জরিত অবস্থা । তাই বলছিলাম জীবনমানের কথা । বর্তমানে তো চলছে কংক্রিটের জীবনমান। ইট পাথরের সমারোহে নদী/ নালা/ খাল/ বিল সব খেয়েছে মানুষ ! ঢাকার পাশের চার নদী ছিলো! এ যেন আমরা শত বছর আগের গল্প করি । এগুলো তো ৮০ দশকেও ছিলো । সবুজ ঢাকা ৮০ দশকেও ছিলো । আমরা সেই সব কিছুকে কোথায় নিয়ে গেছি ? এখন তো শোনা যাচ্ছে আবাদি জমির উপর মানুষের কুনজর পড়েছে । আবাদি জমির উপর ঘর বাড়ি হচ্ছে ! বন- জংগল দিনকে দিন শেষের দিকে যাচ্ছে । কারো কোনো নজর নেই , সরকারের কোনো ফলপ্রসূ কর্ম নাই, কারো আফসোস থাকলেও জোড়ালো কোনো প্রতিবাদ নেই ! চলছে চলুক !
একটু পার্টিজান হয়ে যাবে, তারপরেও সত্য বলেই যাবো । লক্ষ্য করুন, আমরা বর্ষা মৌসুমে ওপার থেকে অনাকাঙিক্ষত আসা জল, উপর থেকে বৃষ্টির জল, নানান জলে ডুবে মরি, ভেসে বেড়াই, অতিষ্ঠ হয়ে যাই । আবার বিপরীতে শুষ্ক মৌসুমে পানির জন্য হাহাকরা করি । পানি নাই, হাল চাষে কস্ট, নদী- নালা শুকনো, কি এক বিদিকিচ্ছরি অবস্থা । মানুষের শুধু হাহুতাশ ।
অথচ এই দেশেই প্রেসিডেন্ট জিয়া ভালো একটি কাজ করে গিয়েছিলেন ( আমি জিয়ার সরকার নিয়ে আলোচনার করছি না ) । গম/ চাল দিয়ে, গাও গ্রামের মানুষদের উৎসাহীত করে , তাদের নিজেদের স্বশরীর ও মেহনত দিয়ে সারা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা/ উপজেলার গ্রাম/ ইউনিয়নের প্রতি অঞ্চলের আনাচে/ কানাচে খাল কাঁটিয়ে ছিলেন। সেই খাল গুলোতে ভরা মৌসুমে জল তো থাকতোই, এমনকি শুষ্ক মৌসুমেও নিম্নে হাটুজল থাকতো। এটা ছিলো সারা বাংলাদেশের চিত্র । বর্ষা মৌসুমে প্লাবন হলেও খালগুলোই বেশি পানি বহন করতো। এমনকি শুষ্ক মৌসুমেও সেই খাল দিয়ে নৌকা চলতো । মাছ থাকতো বছর জুড়ে। ক্ষেত খামারে ছেঁচ দিয়ে জলের অভাব অনেকখানি ঘুচতো। অথচ এত ভালো এবং সঠিক পদ্ধতি গ্রহণের কার্যটিকে আমরা দেশের মানুষেরা নিজেদের লোভের কল্যাণে সব বিনষ্ট করে ফেলেছি। খালগুলো তো সেদিনের কথা। এখন খালগুলোর চিহ্ন পর্যন্ত নাই ! সবই বেদখলে গেছে । সবই মানুষের লোভের কাছে হার মেনেছে ! এই খালগুলো ছিলো একদিকে গ্রামের সৌন্দর্যের উপসর্গ, আর অন্যদিকে ছিলো উপকারী । এই খালগুলোও যে মানুষের জীবনমানের উপসর্গ ছিলো; সেটাই আমরা কোনো দিন বুঝি নাই ।
জানি অনেকেই অবাক হচ্ছেন । বর্তমানে দেশের করোনা ভয়াবহতায় কেন হঠাৎ করে প্রেসিডেন্ট জিয়ার খাল নিয়ে আমি ব্যস্ত হয়ে গেলাম । লক্ষণীয় যে আমরা নিজেরাই আমাদের জীবনকে একটু বেশিই কংক্রিটময় করে ফেলেছি। আমরা প্রয়োজনের চেয়েও অতি বেশি ভোগ বিলাসিতার দিকে ঝুঁকে গেছি । মানুষ জীবনে কোথায় সীমানা টানতে হয়, সেটাই আমরা বুঝি না । অথচ নিজেদের জীবন মানকে এক বিন্দুও বাড়াতে পারি নাই । হয়তো বর্তমানে অনেকেই দেশ থেকে দেশ কিংবা বিশ্ব ঘুরে বেড়ায় । কিন্তু সেটা কত পার্সেন্ট লোকে করতে পারে ? সামগ্রিকভাবে দেশের বৃহত্ত জনগোষ্ঠীর জীবনমান এখনও শূন্যের কোঠায় । আজকে জীবনমান নিয়ে বলছি, জেনে বুঝেই । করোনার মহামারী দুদিন আগে বা পরে শেষ হবেই । আমরা আবার সেই গোয়ালেই ফিরে যাবো নিশ্চিত । কেননা সত্যি বলতে আমরা জীবনমানই সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারি না এবং বুঝতেও পারি না ।
এই করোনার ভয়াল সময়ে সরকার তার নিজের অক্ষমতার মাঝে , কোনো এক উপলব্ধি বা দায়িত্ব পালনের সর্তে বা অনুভূতি থেকে কিছু করার চেষ্টায়ও করে যাচ্ছে, তবে প্রাতিষ্ঠানিক দূর্বলতার কারণে সেই কাজটুকুর দূর্বলতাও এখন বেশ পরিষ্কার হয়ে দেখা দিচ্ছে । আমরাও সরকারকে কোনো ছাড় না দিয়ে বলেই যাচ্ছি । অথচ নিজেদের অতিত বর্তমান ভুলগুলোর কোনো দায়ভার নিচ্ছি না । লক্ষ্য করলে দেখা যায়, আমরা সরকারের নিকট শুধু চাই, অথচ স্বইচ্ছায় ট্যাক্স/ ভ্যাট দিতে রাজি হই না । আমাদের কাছ থেকে সরকারকে জোর করেই আদায় করতে হয় । আর আমাদের সরকারগুলোও থাকে যে প্রকারেই হোক ক্ষমতার ধান্দায় ! জনমানুষের জীবনমানের যে পরিবর্তন প্রয়োজন, সেটা সরকার অনুধাবনো করে না । আবার বিপরীতে সরকারের টাকা বা সম্পদ বলতে যা আছে, তা কিন্তু সব জনগণের কর্মের কল্যাণেই আসে, জনগণের কাছ থেকেই নেওয়া । অথচ আমাদের সরকারের দলীয় লোক থেকে শুরু করে, কর্তা ব্যক্তিরা জনগণের কস্টের সব লুন্ঠন করে, জনগণকে এমনি দিগম্বর করে রেখেছে যে, সেই আসল চিত্রটিই বর্তমানের করোনার কল্যাণেই দেশের দর্পণে সব পরিষ্কার করে ভেসে উঠেছে। মানুষের লোভের পরিমাণ এত বেড়েছে যে, বর্তমানে ভিন্ন সরকার থাকলেও একি ফলাফল হতো বলেই মনে হয় । লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এরশাদ স্বৈরাচারের আমল থেকে মূলত বড় আকারে দুর্বৃত্তায়নের শুরু হয়েছিলো, পরবর্তীতে বিএনপির গত টার্মে সেটার পরিমাণ বেড়েই চলছিলো, আর বর্তমানের কথা হাটে ঘাটের ন্যাংটা পোলাপানেও জানে, কতটুকু বেড়েছে ! আমাদের সরকারের আসল সত্য করোনার উপস্থিতেই পরিষ্কার হয়ে গেছে । তাই বলছিলাম, সরকার ও জনগণ সবাই করোনা থেকে শিখুন এবং সত্যি সত্যি জীবনমান কি ? সেটাও উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন। দেখবেন আগামীর জীবনটা সুন্দর হতে বাধ্য হবেই।
উপরে খালের কথা হঠাৎ নয়, যোগসূত্র আছে বলেই উল্লেখ করেছি। আর সেই যোগসূত্রটি মানুষের স্বাস্থ্য এবং সুস্থ মন। আপনি থাকেন হয়তোবা বিরাট এক উঁচু বিল্ডিংয়ে, তারপরেও নিজেকে একবার ঘরের আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে প্রশ্ন করুন তো, আপনি নিজে কি সত্যি সত্যি শারীরিকভাবে সুস্থ মানুষ ? আর যে ব্যক্তি শারীরিকভাবে সুস্থ নন , তিনি মানসিকভাবেও সুস্থ থাকতে পারেন না, এটাই সত্য ও মনোবিজ্ঞানে প্রমাণিত । হয়তো অনেকেই স্বীকার করবেন না, তবে আয়না আপনাকে সঠিক উত্তরটি নিশ্চিত দেবে । সুস্থ থাকার উপায়ও যে নেই । কেননা বর্তমানে কৃষক থেকে শুরু করে সবজি বিক্রেতা বা বড় ব্যবসায়ী সবাই অনাচারে লিপ্ত, কথাটি কঠিন মনে হলেও মহা সত্য বলেই প্রতীয়মান হয়।
করোনা আক্রান্ত যত মানুষ কঠিনের মাঝ দিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে, সেই মানুষগুলো সবাই শারীরিক ও মানসিকভাবে পূর্ব থেকেই সুস্থ ছিলেন । আমি বিশ্বের অনেক দেশের কথা বলছি এবং তাদের জীবনমান জেনেই বলছি । আমরা সবাই জেনে গেছি ,করোনার কোনো চিকিৎসা নেই । হ্যাঁ সত্য তাই, কোনো চিকিৎসা নেই । তাহলে মৃত থেকেও সুস্থ হবার পার্সেন্ট এত বেশি কেন ? মূলে হলো, যারা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সবলমানুষ তারা এই দুই শক্তি দিয়ে করোনাকে হার মানাচ্ছে । সেখানেই জীবনমানের প্রশ্ন চলে আসে। আমার/ আপনার জীবনমান মোটামুটি বৈজ্ঞানিক ধারায় যদি থাকতো , তাহলেই সব কিছুকেই হার মানানো সহজ হতো । বিষটিতে আরো লিখতে হবে এবং সময়ে লিখবো ।
লেখা শেষ করবো ভালো একটি বিষয় বলেই। আজকের পত্রিকায় অনেকগুলো পজিটিভ নিউজ দেখলাম। একজন পুলিশ অফিসার নিজেদের দায়িত্বে ঘোষনা করেছে, আপনার দান করা খাবার বা ভিন্ন কিছু আপনার নামেই জায়গা মতন, সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার অঙ্গীকার করেছে এবং উনার ভাষ্য, আপনারা তবুও বাড়িতে থাকুন, নির্দেশ মেনে চলুন, চমৎকার এবং ভালো সিদ্ধান্ত । আমাদেরকে আপনার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে দিন, এটাই সেই পুলিশ অফিসারের ভাষ্য । জানি পাশাপাশি আবার অনেকেই অযাচিত ব্যবহার করেই যাচ্ছে । আসুন আমরা না হয় এই পুলিশ অফিসারকেই আইকন ভেবে নেই । এমনটাই যেন একদিন সব পুলিশ হয়, সেটাইতো আমরা নিশ্চয়ই চাই। আসুন আমরা সবাই তাকে সার্পোট করি ।
একজন জেলা সুপারকে দেখলাম একজন বৃদ্ধ মানুষকে বুকে জড়িয়ে নিচ্ছেন, যিনি এই বয়সেও রাস্তার কাগজ টুকিয়ে জীবন চালান । উনি নিজে সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন । উনার হৃদয় সব জেলার সুপারদের হোক, সেটাই আমাদের চাওয়া নিশ্চয়ই ।
সরকারকেও দেখলাম এক মূহুর্ত দেরি না করে কথিত এসি ল্যান্ডকে সরিয়ে দিয়েছে। জানি সরিয়ে দেওয়াই একমাত্র সমাধান নয় বা বিচার নয়, কেননা সাম্প্রতিক অনেক উদাহরণ আমাদের চোখের সামনেই আছে । তবে এই ভয়াল মূহুর্তে সরকার দ্রুত জনগণের আক্ষেপকে অনুধাবন করতে পেরেছে এবং বিনা প্রশ্নে শতভাগ বিবেচনায় নিয়েছে। সরকারের এই বিষয়টিকে জনগন পজিটিভ নিলে, নিশ্চয়ই সরকারও উৎসাহীত হবে, আগামীতে ভালো কাজ করতে ।
ক্রিকেটারদের দেখলাম বেতনের অর্ধেক দান করেছে। সবই পত্রিকার খবর। ধীরে ধীরে ধনীকশ্রেনীর মানুষেরাও এগিয়ে আসছে, যদিও তাদের দেখা পাওয়া ভীষণ ভার হয় । এই সবই ছোটো খাটো পজিটিভ বিষয়, যদিও আমাদের পজিটিভ বিষয় নিতান্তই কম । অবশ্যই পাশাপাশি নেগেটিভ বিষয়ও সাথে আছে নতুন করে, যা কিনা অন্তত এই ভয়াল সময়ে কেউই আশা করে না । এই নেগেটিভ বিষয়গুলোর সাথে মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রশ্ন চলে আসে। আসুন আমরা সবাই পজিটিভ হবার চেষ্টা করি, জানি তুলোনায় ভীষন কম, তারপরেও পজিটিভ বিষয়গুলোকেও বেশি বেশি করে তুলে ধরি। তাতে করে মানুষ উৎসাহীত বেশি হবে। কেননা এই করোনার ভয়াবহতা থেকে আমাদের যে মুক্ত হতেই হবে। মানুষের জয় হোক এবং হবেই। সেই সাথে আমরা নতুন করে ভাবি, আমাদের জীবনমান কি হওয়া উচিত ? এবং ভবিষ্যতে আমরা নিজেদেরকে কোথায় দেখতে চাই ?

বুলবুল তালুকদার
যুগ্ম সম্পাদক, শুদ্ধস্বর ডটকম

