কক্সবাজারের চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৭) বাড়ি ফেরার পথে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার শরীরের আঘাতে চিহ্ন ছিল।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জিসানকে অপহরণ করা হয় বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার রাতে কাকারা মাঝের স্টেশনের একটি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি এসে তাকে তুলে নিয়ে যায়।
পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার ‘কবির টাওয়ারে’ নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ইসমাইল হোসেন মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এদিকে জিসান হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি। তিনি বলেন, জিসান ছাত্রদলের একজন সক্রিয় ও উদীয়মান নেতা ছিলেন। তাকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় তারা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।
রেজাউল করিম বাপ্পি আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা না হলে সাধারণ ছাত্রদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদল।

