রাজধানীর রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত নিয়ে আলোচনা। টিভি-র পর্দায় তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। এরই মধ্যে অমর্ত্য সেন বলছেন, ‘‘মাঝে মাঝে অ্যান্টি-ন্যাশনাল হওয়া ঠিক আছে। রাষ্ট্রই আমাদের একমাত্র পরিচিতি নয়। আমাদের নানা রকম পরিচিতি থাকে। জীবনযাত্রার জন্য সেগুলো ভীষণ ভাবে জরুরি।’’ বাইরে যখন জাতীয়তাবাদের আবেগ চুঁইয়ে পড়ছে, তখন অমর্ত্য বলছেন, জাতীয়তাবাদে বৃহত্তর কোনও মানবিক প্রচেষ্টায় যদি লাভ হয়, তা হলে সমস্যা নেই। কিন্তু যখন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন তার প্রেক্ষিত ভিন্ন। জাতীয়তাবাদ বিভাজন তৈরি করলে সেটা খারাপ।
শুধু ভরদুপুরের অঁলিয়াস ফ্রঁসেজ নয়। বিকেলে জওহর ভবনেও ৮৫ বছর বয়সী অর্থনীতিবিদের আলাপচারিতা শুনতে একই ভাবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ভিড় উঠে এল। অমর্ত্য ঢোকার আগেই প্রেক্ষাগৃহ ভরে যাওয়ায়, ভবনের চত্বরেই তিনটি জায়গায় প্রোজেক্টর চালিয়ে শ্রোতাদের বসার ব্যবস্থা করতে হল।

