জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার মুয়ারের পারিত জামিল এলাকায় দুটি আসবাবপত্র কারখানায় প্রথম অভিযান চালানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার ‘অপস মাহির’ অভিযানে ১৭৬ জন পুরুষ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়।
তাদের মধ্যে ১৪৭ জন বাংলাদেশি, ২৭ জন নেপালি, দুজন চীনা এবং একজন মিয়ানমারের নাগরিক।
অভিযানের সময় কারখানা দুটির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত দুই স্থানীয় নারী কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। মুয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান মোহাম্মদ ইজওয়ান ওসমানের নেতৃত্বে সকাল ১১টা থেকে অভিযান চলে।
অভিযানের সময় কয়েকজন বিদেশি শ্রমিক পালানোর চেষ্টা করেন।
তবে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা পুরো কারখানা এলাকা ঘিরে রাখায় তাদের পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
অন্যদিকে, বাতু পাহাতের জালান আয়ার হিতাম-ইয়ং পেং এলাকায় একটি কাঠের কারখানায় দুপুর ১২টার দিকে অভিযান চালানো হয়। সেখানে সাত নারীসহ ৫৮ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়।
আটকদের মধ্যে ২৪ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন ভারতের, আটজন বাংলাদেশের, সাতজন চীনের, দুজন নেপালের এবং একজন পাকিস্তানের নাগরিক।
এ সময় একজন স্থানীয় লরি চালককেও আটক করা হয়।
বাতু পাহাত ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান ইখমাল ফাউজির নেতৃত্বে ৫৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্য ওই অভিযানে অংশ নেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটক বিদেশি শ্রমিকদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ বা কাজের কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় প্রবেশ, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে অবস্থান এবং নির্ধারিত পাস বা পারমিটের অপব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আটকদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯-এর বিভিন্ন ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযান শেষে ২৩৪ বিদেশি শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য জোহরের পেকান নানাস ও পন্তিয়ানের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

