গত ৬ সেপ্টেম্বর ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে স্নেহা জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী চন্দন গুপ্তাকে নয়ডার একটি কোম্পানি থেকে ‘হাইলি কোয়ালিফায়েড স্পেশালিস্ট’ ভিসায় মস্কো পাঠানো হয়েছিল। স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে সেখানেই থাকতেন তিনি। অভিযোগ, রবিবার বিনা কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে রাশিয়ার পুলিশ। তারপর মামলার ফাঁদে ফেলে চন্দনকে রুশ সেনায় যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করা হয়নি।
স্নেহা জানিয়েছেন, তিনি ও তাঁর ১০ বছরের সন্তান কেউই স্থানীয় ভাষা (রাশিয়ান) বলতে পারে না। কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করবেন, তা তাঁরা জানেন না। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে স্বামীকে মুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। স্নেহার ওই ভিডিয়ো নজরে এসেছে ভারতীয় দূতাবাসেরও। এক্স হ্যান্ডলে তাঁরা জানিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন ও গুপ্তা পরিবারের সঙ্গে যোগযোগ রাখা হচ্ছে। ঠিক কী কারণে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

