মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ড পৌঁছেছেন। তার এক মুখপাত্র রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সময় রোববার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন জেডি ভ্যান্স।
এর আগে শনিবার (২০ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জেডি ভ্যান্স বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে লেবাননে কিছুটা উত্তেজনা কমছে এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, “ইসরাইল ও লেবানন—উভয় দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও কূটনৈতিক ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রাখতে হবে।”
এদিকে চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে ভ্যান্সের আগেই সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা এক প্রতিবেদনে তেহরানের প্রতিনিধিদলের সুইজারল্যান্ডে পৌঁছানোর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
শনিবার রাতে সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইরানি প্রতিনিধিদলের পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আমরা সুইজারল্যান্ডে ইরানি প্রতিনিধিদলের আগমনকে স্বাগত জানাই।’ মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।
এই বৈঠককে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে বুর্গেনস্টক রিসোর্টে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের অংশগ্রহণে একটি প্রস্তুতিমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটিএস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কারিগরি প্রতিনিধিদলের পাশাপাশি মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা এই প্রস্তুতিমূলক আলোচনায় যোগ দিয়েছেন।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। রোববার সকালে তারা রওনা হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, এ আলোচনায় কাতারের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে তারা আশা করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে পাকিস্তান সমর্থন করে যাবে।

