জাতীয় ঐকমত্য কমিশন তাদের কাজ শেষ করেছে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া দেখে মনে মনে হচ্ছে, তারা কাজ শেষ করেননি বরং জটিলতা শুরু করেছেন। যাদের বয়স ৬০-এর কোঠায় তাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, এক সময়ের একটা জনপ্রিয় গানের প্রথম কলি ছিল, ‘এ কি হলো, কেন হলো বুঝি না।’ কিশোর কুমারের উদাত্ত কণ্ঠে বিষাদময় এমন গান শুনে, যৌবনে বিষন্নতায় ভারাক্রান্ত হয়নি এমন মানুষ কম। গণঅভ্যুত্থানের পর এত ফ্যাসিবিরোধী কথা, সমন্বয়ের নামে সময়ক্ষেপণ আর ঐকমত্যের নামে মতের বিভক্তি দেখে, সেই গানের কলি মনে পড়লে, কাউকে দোষ দেওয়া যাবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ছিল বৈষম্যের বিলোপ, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে আন্দোলনকারী জনগণকে হত্যার বিচার, গণতন্ত্রের লক্ষ্যে সংস্কার এবং একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করা। সেজন্য অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যে যে ১১টি কমিশন গঠন করেছিল তার প্রতি ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল, সংগঠন, ব্যক্তি, গোষ্ঠীসহ দেশবাসী সমর্থন জানিয়েছিল। সংস্কার প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার জন্য যে ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছিল, তাতে রাজনৈতিক দলগুলো অংশগ্রহণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিল। ক্ষমতাপ্রত্যাশী বুর্জোয়া দল, ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক দল, বাম জোটভুক্ত দলগুলোসহ ৩০টি রাজনৈতিক দল এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে প্রস্তাব ও মতামত প্রদান করে। ঐকমত্য কমিশন তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর দিনে উদ্বোধনী বক্তব্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন, সব দল যেসব প্রস্তাবে একমত হবে সেগুলো নিয়েই ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদ প্রণয়ন করবে। এই ধারাকে অনুসরণ করে প্রথমে ১৬৬টি প্রস্তাব স্প্রেডশিট এবং পরে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ ৬-৭ মাস ধরে আলোচনা যুক্তিতর্ক চলে। দফায় দফায় অচলাবস্থা এবং আলোচনা চলে। ফলাফলে দেখা যায়, রাজনৈতিক দলগুলো বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয় এবং কিছু বিষয়ে মতাদর্শগত ভিন্নতা এবং আদর্শিক পার্থক্যের কারণে ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে আলোচনা শেষ করে। সবশেষে ঐকমত্য কমিশন ৮৪টি সুপারিশ বেশ কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্টসহ জুলাই সনদের খসড়া চূড়ান্ত করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য একটি অঙ্গীকারনামা প্রণয়ন করে।
এক্ষেত্রে দেখা যায়, বাম জোটের শরিক দলগুলো শুরু থেকেই বলে আসছিল যে, সব বিষয়ে সব দল একমত হবে শুধু সেগুলো নিয়েই ঐকমত্যের জুলাই সনদ প্রণীত হওয়া দরকার। তাদের যুক্তির সমর্থনে তারা প্রধান উপদেষ্টার অঙ্গীকারকেও উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু দেখা গেল, ঐকমত্য কমিশন ভিন্ন মতসহ জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করে এবং গত ১৭ অক্টোবর ঢাকঢোল পিটিয়ে সনদে স্বাক্ষর করার অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ভিন্নমতসহ সনদ প্রণয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রণীত সংবিধানে রাষ্ট্রীয় ৪ মূলনীতিসহ আদর্শিক বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার সুপারিশ সনদে থাকায় বাম জোটের শরিক দলগুলো সনদে স্বাক্ষর দানে বিরত থাকে। তারা অভিযোগ করে বলেন, আলোচনার বিষয়গুলো সনদে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়নি। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান ও বাস্তবায়নের জন্য কমিশন কয়েকটি দলের আকাক্সক্ষাকে কমিশনের সুপারিশে পরিণত করেছে। পরে দেখা গেল, জুলাইয়ের আকাক্সক্ষাকে জুলাই সনদে যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি, এই অভিযোগ প্রায় সব দলের। অনেক স্টেকহোল্ডারের অভিযোগ এই, ঐকমত্য কমিশন যে সুপারিশ করেছে, তার মধ্য দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ও অর্জনকে ধূলিসাৎ করতে জুলাই সনদের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা হয়েছে। যে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমেছে, নির্যাতন সহ্য করেছে, লাঠি, গুলি, হামলা, মামলা প্রতিরোধ করেছে, জীবন ও রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচারী সরকারকে পদত্যাগ ও দেশত্যাগ করতে বাধ্য করেছে, এই সুপারিশ একদিকে তাদের আকাক্সক্ষা ও জাতির ভবিষ্যতের সঙ্গে প্রতারণা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে অনৈক্য ও বিভক্তি সৃষ্টির অপপ্রয়াস। নির্বাচন নিয়ে নানা সংশয় তো ছিলই। এখন বলা হচ্ছে, এই সুপারিশ জাতীয় নির্বাচনকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়ার এক অশুভ ইঙ্গিত। কেন এই আশঙ্কা এবং সন্দেহ দেখা দিল? কিছু ধারাবাহিক পদক্ষেপ, সনদের ভূমিকা এবং সনদের অঙ্গীকারনামা এমন সংশয়ের জন্ম দিয়েছে। সনদ বাস্তবায়ন সুপারিশে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ ২০২৫ নামে সরকার একটি সাংবিধানিক আদেশ জারি করবে। অতঃপর আদেশের পক্ষে গণভোট করবে। আগামী সংসদকে কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার দেওয়া হবে অর্থাৎ আগামী সংসদ একাধারে জাতীয় সংসদ ও ৯ মাসের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবে।
প্রশ্ন উঠেছে, সাংবিধানিক আদেশ কে জারি করবে? কোন ক্ষমতা বলে তিনি এই আদেশ জারি করবেন? যে সংবিধান মেনে তারা ক্ষমতায় সেই বিদ্যমান সংবিধানে কি এরূপ আদেশ দেওয়ার এবং গণভোটের বিধান আছে? সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের ক্ষমতা কে, কাকে এবং কীভাবে দেবে? ইত্যাদি বহু বিতর্কিত বিষয়ের সুস্পষ্ট উত্তর নেই। উত্তরহীন প্রশ্নের এবং সমাধানহীন বিতর্কের অবতারণা করে ঐকমত্য কমিশন সনদ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য যে সুপারিশ প্রণয়ন করেছেন, তার ফল কী হবে? পছন্দের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে এবং নিজেদের ইচ্ছাকে সবার ইচ্ছা হিসেবে দেখাতে গিয়ে কি সংবিধানের মতো জাতীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে হেলাফেলার বস্তু বানানো হলো? এ যদি হয় তাহলে জুলাইয়ের অর্জন কি ভবিষ্যতে আইনি বিতর্কের বিষয় হয়ে পড়বে না? আদালত একদিন এই বিষয়কে বে-আইনি বলে আখ্যায়িত করলে, তখন কী হবে? এ কথা ঠিক যে, আইন এবং আন্দোলন একই পথে চলে না। কিন্তু আন্দোলনের সাফল্যের পর দেশকে তো আইনের পথেই চলতে হয়। ফলে এ কথা স্পষ্ট যে, ঐকমত্য কমিশনের বাস্তবায়ন সুপারিশের জন্য আদেশ প্রদান ক্ষমতা বর্তমান সরকারের এখতিয়ার বহির্ভূত। এটা ভবিষ্যতে নতুন জটিলতার পথ উন্মুক্ত করবে। গণভোট একটি দেশের জনগণের গণসম্মতির বহিঃপ্রকাশ। আমাদের দেশে ১৯৭৭, ১৯৮৫ এবং ১৯৯১ সালে যে ৩টি গণভোট হয়েছে তার অভিজ্ঞতা কি বলে? প্রথম দুটি ক্ষমতা দখল, ক্ষমতা সংহত করার পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই দুটোতে কত মানুষ ভোট দিয়েছে এবং কত ভোট গণনা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন, অবিশ্বাস আছে। তৃতীয় গণভোট অর্থাৎ ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত গণভোট নিয়ে একটু স্মৃতি ঝালাই করে নেওয়া যেতে পারে। ১৯৯০ সালের অভ্যুত্থানের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচনের পর গঠিত সংসদ তার সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেপ্টেম্বর মাসে গণভোটের আয়োজন করে। অভ্যুত্থানের ৯ মাস পরে অনুষ্ঠিত এই গণভোট ছিল গণসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ দেখানোর আনুষ্ঠানিকতা। ভোটারের আগ্রহ ছিল না এতে, অনেক চেষ্টা করে, নানা পদক্ষেপ নিয়ে যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় তাতে ভোট পড়েছিল ৩৫ শতাংশ। অর্থাৎ ৬৫ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে যাননি। এর ফলে কী হলো? আনুষ্ঠানিকতা হলো কিন্তু নৈতিক অবস্থান কি ঠিক থাকল? তখন সব দল একমত ছিল বলে কোনো রাজনৈতিক প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু এই তিন গণভোটের ফলাফল গণভোট সম্পর্কে জনমনে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি করেছে।
একটা প্রশ্ন সংবিধান এবং রাজনীতি নিয়ে যারা আলোচনা করেন তারা তুলেছেন। কাউকে বিশেষজ্ঞ বলে আখ্যায়িত করে তাকে অসম্মানিত করার ঝুঁকি নিতে চাইলাম না। কারণ নিজেদের মতের বিরুদ্ধে গেলেই যে কোনো ব্যক্তিকে গালিগালাজের যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে তাতে কাউকে সম্মান দেওয়া মানে অসম্মানের ঝুঁকিতে ফেলা। যাই হোক, আলোচকরা অনেকেই বলছেন, সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অপ্রয়োজনীয়। কারণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও তো একটা জনসম্মতি। ফলে জাতীয় সংসদেই সর্বসম্মত বিষয় নিয়ে তৈরি করা সনদ বাস্তবায়ন সম্ভব। দুবার গণসম্মতি নেওয়ার দরকার আছে কি? আবার অভ্যুত্থানের ১৬ মাস পর গণভোট কতখানি গণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে তা বলা মুশকিল। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের প্রতি জনগণের বিশ্বাস, আস্থাও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা গণভোটে আগ্রহ জাগাবে। নির্বাচনের অর্থ জোগাবে জনগণ কিন্তু তাদের আগ্রহ জাগানোর মতো নির্বাচন না হলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। অভ্যুত্থান একটা আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ। সংগঠিত শক্তি সবাই দেখে কিন্তু শক্তির অভ্যন্তরে আকাক্সক্ষা সবাই খেয়াল করে না। স্লোগানে ফুটে উঠে জনগণের আকুতি, ক্ষোভ ও স্বপ্ন। দেশটা কারও বাপের না এই স্লোগান হচ্ছে বহু দিনের জমাটবাঁধা ক্ষোভের বিক্ষুব্ধ বহিঃপ্রকাশ এবং ভবিষ্যতের সতর্কবাণী। জুলাই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের জন্য, মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য। অথচ জুলাই সনদের অঙ্গীকার নামায় উল্লেখ হয়েছে সনদ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা বা যাওয়া যাবে না। কেন এই ভয় এবং দায়মুক্তির আকাক্সক্ষা? সনদে কি এমন কিছু উল্লেখ আছে, যা নিয়ে আদালতে কেউ যেতে পারেন এবং আশঙ্কা আছে আদালত তা নিয়ে ভিন্ন রায় দিতে পারেন? আর একটি সুপারিশ তো আইনসংক্রান্ত বিষয়কে হাস্যকর করে তুলবে। আগামী সংসদ বা সংবিধান সংস্কার পরিষদ ৯ মাসে অর্থাৎ ২৭০ দিনে সনদ অনুমোদন না করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সংবিধানে যুক্ত হবে মর্মে সুপারিশ করা হয়েছে। একটা হালকা উদাহরণ দিলে কেমন হয়! জমি নিয়ে আলোচনা ও বিতর্কের সময় কেউ যদি বলে আপনার জমি আমাকে দিতে হবে। ৯ মাস সময় দিলাম। ভেবে দেখুন। এর মধ্যে যদি সম্মতি না দেন তাহলে এই জমি কিন্তু আমার হয়ে যাবে। তাহলে কী হবে? যা হওয়ার তাই হবে, গায়ের জোর বিজয়ী হবে। তেমনি ২৭০ দিনে সনদ গ্রহণ করতে হবে, না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সংবিধানে যুক্ত হবে এটা কি চরম অগণতান্ত্রিক মনোভাবের প্রকাশ নয়? এটা তো জুলাই চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
বুর্জোয়া গণতন্ত্রে বলা হয়, সংসদের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি কি সংসদকে অস্বীকার করার শামিল হবে না? সংবিধান সংস্কার পরিষদ কিংবা গণভোট যে প্রক্রিয়ায় হোক না কেন, কোনো আইন তো জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জাতীয় সংসদেই করবে। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, অতীতের লুণ্ঠন এবং বর্তমানের কিছু ভুলের কারণে অর্থনীতি খাদের কিনারে, মব ভায়লেন্স এবং পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভীষণ খারাপ অবস্থায় আছে। বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি বলে দ্রব্যমূল্য অসহনীয়, মালিক পালিয়েছে, মজুরি বকেয়া বলে কারখানা বন্ধ হচ্ছে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেই, বেকারত্ব বাড়ছে, নির্বাচিত সরকার নেই বলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বন্ধ, এসবের সামগ্রিক ফল দারিদ্র্য বাড়ছে। বিভিন্ন চুক্তির কারণে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন পথ খুঁজে পাচ্ছে। এক কথায় দেশ আজ সমূহ সংকটে নিমজ্জিত। এর অবসানের লক্ষ্যে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা এ সময়ের অন্যতম প্রধান কাজ। অনির্বাচিত সরকার যত বেশি দিন ক্ষমতায় থাকবে আস্থার সংকট তত বাড়বে। ফলে দ্রুত নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত ও টাকার খেলা, পেশিশক্তির দৌরাত্ম্য, জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টিকারী সাম্প্রদায়িকতা বন্ধের পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।
রাজনৈতিক সংগঠক ও কলাম লেখক

