ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, কারারক্ষীরা মুরাদ হোসেনকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, মুরাদ হোসেন হাজতি হিসেবে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ তিনটি মামলা চলমান ছিল। তার হাজতি নম্বর ছিল ১৬৪৪/২৫। মিরপুর থানা–পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কাশিমপুর কারাগারে পাঠায়।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “মৃত্যুর বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করেছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
মুরাদ হোসেনের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকায়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং মিরপুর-১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

