নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন সুশীলা কারকিই! সূত্রের খবর, যাবতীয় দ্বন্দ্ব মিটিয়ে আপাতত সুশীলার হাতেই দেশের ভারত তুলে দিতে চায় জেন জি। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌঢ়েল এবং সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগডেলের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপালের বিপ্লবীরা, এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। সম্ভবত শুক্রবারই নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে পারেন সুশীলা। তেমনটা হলে প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী পাবে নেপাল।
বিখ্যাত সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করতে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে নেপালের বিদ্রোহী জেন জি এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট ও সেনাপ্রধানের মধ্যে। জেন জির পক্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলার নামেই সিলমোহর দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। রয়টার্স সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করবেন কারকি। দু’জনের বৈঠক হবে। তারপরেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন কারকি। তবে সরকারিভাবে এই নিয়ে কিছুই জানানো হয়নি কোনও পক্ষের তরফে।
উল্লেখ্য, যে তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে এমন এক পালাবদল দেখল নেপাল, সেই জেন জি’র মধ্যেই গত কয়েকদিন ধরে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল। বুধবার জানা গিয়েছিল, জেন জি বিল্পবীদের সর্বসম্মতিক্রমে কারকিকে অন্তর্বতী সরকারের প্রধান হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি এই প্রস্তাব মেনেও নিয়েছেন। শাসনভার তুলে নিতে সেনার সঙ্গে দেখাও করছেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে কারকি ছাড়াও অন্তত চারজনের নাম ভেসে উঠেছে নেপালের পরবর্তী নেতা হিসাবে।
কাঠমান্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ, ধারানের মেয়র হারকা সামপাং, প্রাক্তন সাংবাদিক রবি লামিছানে-তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন সকলেই। নেপালের বিদ্যুৎ দপ্তরের (নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি বা এনইএ) অধিকর্তা কুল মান ঘিসিংয়ের নামও জল্পনায় রয়েছে। গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন কেপি শর্মা ওলি। তারপর দেশের পরবর্তী নেতা বেছে নিতে বেশ কিছুটা সমস্যায় পড়ে নেপালের জেন জি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সমস্যা মিটছে বলেই সূত্রের খবর। সুত্র : সংবাদ প্রতিদিন ।

