বাংলাদেশের নরসিংদিতে জেলে ঢুকে আগুন ধরিয়ে দিলেন বিক্ষোভকারীরা। সূত্র উদ্ধৃত করে এমনই জানানো হল সংবাদসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন যে শুক্রবার মধ্য বাংলাদেশের সেই জেলে ঢুকে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। শয়ে শয়ে বন্দীদের মুক্ত করে দেন বলে দাবি করা হয়েছে। (ছবি এএফপি)এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাম গোপন রাখার শর্তে ওই পুলিশ আধিকারিক বলেছেন, ‘বন্দীরা জেল থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। জেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ নির্দিষ্টভাবে কোনও সংখ্যা বলতে না পারলেও ওই পুলিশ আধিকারিক বলেছেন, ‘ঠিক কতজন পালিয়ে গিয়েছেন, সেটা জানি না। তবে সংখ্যাটা ১০০-র বেশি হবে।’ (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স)জেল ভাঙার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদি জেলার উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক মৌসুমী সরকার। এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বিস্তারিতভাবে কিছু জানাননি। এক স্থানীয় বাসিন্দা (জেলের কাছেই বাড়ি) জানিয়েছেন যে জেল থেকে কমপক্ষে ২০ জন বন্দীকে নিজেদের জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যেতে দেখেছেন। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)
আরও বাড়ল মৃতের সংখ্যা: এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার রাত পর্যন্ত বাংলাদেশে পড়ুয়াদের আন্দোলনে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫। মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। শুক্রবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে আরও ২৮টি মৃতদেহ এসেছে। আর ঢাকার বাইরে আরও দুটি মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। (ছবি সৌজন্যে এএফপি)
তারইমধ্যে বাংলাদেশের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। তিনি জানান, বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটছে, তাতে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন তিনি। বিক্ষোভকারীদের উপরে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত জঘন্য। কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না এরকম ঘটনা। তাঁর কথায়, ‘এই হামলার ঘটনায় নিরপেক্ষ, দ্রুত এবং বিস্তারিতভাবে তদন্ত হওয়া উচিত। যাঁরা দোষী, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা উচিত।’ (ছবি সৌজন্যে রয়টার্স) সুত্র, হিন্দুস্তান টাইমস ।