গাজা উপত্যকার সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত রাফাহ শহরে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হামলা শুরু করেছে। এরই মধ্যে রাফা থেকে ইসরাইলি বাহিনীকে সরানোর জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে (আইসিজে) নির্দেশ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ আফ্রিকা আইসিজেকে রাফায় ইসরাইলি বাহিনীর আক্রমণ বন্ধ করতে এবং রাফাহ থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিতে বলেছে।
ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যার জন্য ইসরাইলকে অভিযুক্ত করে আনা একটি মামলা আইসিজেতে চলমান রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা এ মামলাটি দায়ের করে। এখন দেশটি আদালতকে রাফাতে ইসরাইলের আক্রমণের বিষয়ে অতিরিক্ত জরুরি ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা তার অনুরোধে বলেছে যে- ইসরাইলের ‘রাফাহ আক্রমণ গাজায় ফিলিস্তিনিদের একটি গোষ্ঠী হিসাবে বেঁচে থাকার জন্য, মানবিক সরবরাহ এবং মৌলিক পরিষেবাগুলোর জন্য চরম ঝুঁকির কারণ। এ কারণে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছে দেশটি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো-বাইডেন বিশ্বাস করেন যে- গাজার রাফায় বড় ধরনের অভিযান চালিয়েও ইসরাইলের পক্ষে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে হারানো সম্ভব নয়। হোয়াইট হাউস এ মন্তব্য করেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ‘তার মতে রাফা গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও হামাসকে ধ্বংস করার ইসরাইলের লক্ষ্য অর্জিত হবে না।’
কিরবি বলেন, হামাসের ওপর ইসরাইল ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে। বেসামরিক নাগরিকদের ওপর প্রবল ঝুঁকি সৃষ্টি করে- এমন অভিযানের চেয়ে গ্রুপটির নেতৃত্বের ওপর এমন চাপ সৃষ্টিই অনেক ভালো উপায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইসরাইল থেকে সরে যাচ্ছি কিংবা আমরা হামাসকে পরাজিত করতে সহায়তা করতে আগ্রহী নয় বলে যেসব কথা বলা হচ্ছে তা বাস্তবতাপূর্ণ নয়।’
কিরবি বলেন, রাফায় বড় ধরনের স্থল হামলার বিকল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল আলোচনা চলছে।
তিনি বলেন, ‘ইসরাইলকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ইসরাইল রাফায় অভিযান চালাবে না, এটা আশা করছি।
সূত্র : আল-জাজিরা

