একদফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ে গণআন্দোলন গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে মেজর হায়দার মিলনায়তনে গণসংহতি আন্দোলনের জাতীয় পরিষদের বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, জনগণ এবার তাদেরকে একই প্রক্রিয়ায় আর ক্ষমতা চালিয়ে যেতে দেবে না। ৭ই জানুয়ারি ৯০ ভাগেরও বেশি মানুষ ভোট না দিয়ে যে গণরায়ের প্রকাশ ঘটিয়েছেন, যে নীরব গণপ্রতিরোধের সূচনা করেছেন তার উপর ভিত্তি করেই দ্রুততম সময়ে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে উঠবে। সরকারকে বিদায় করে এদেশে জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে। এই লড়াইয়ে গণসংহতি আন্দোলনকে আরো ব্যাপকভাবে ভূমিকা পালন করার জন্য সারাদেশের নেতাকর্মীদের সংগঠন গড়ে তোলা ও সংগ্রাম জোরদার করার আহ্বান জানচ্ছি।
তিনি বলেন, জনগণের ভোট ছাড়া এই সরকার নির্বাচনের নামে প্রহসন করে জবরদস্তি কায়দায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখছে। ক্ষমতায টিকিয়ে রাখার জন্য রাষ্ট্রশক্তির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্তা-ব্যক্তিদের এবং নানা স্তরের সুবিধাভোগীদেরকে অবাধে দুর্নীতি, লুটপাট ও অন্যায়ের সুযোগ দিচ্ছে। এভাবে তাদেরকে অপশাসনের অংশীদার করে এই কর্তৃত্ববাদী শাসন টিকিয়ে রাখার তৎপরতা চালাচ্ছে। সেকারণে মিথ্যাচার আর দমন-পীড়নই এই তৎপরতার প্রধান দিক।
সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার কারণেই বাজারের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ব্যাংকসহ সমস্ত অর্থনীতি লুটপাট, দুর্নীতি, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ও আধিপত্য চলছে বলেও মন্তব্য করেন সাকি।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। এছাড়া সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাকর্মী এবং জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং বাছাইকৃত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

