সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুবাই থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর বিমানটি থেকে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে একটি জরুরি বার্তা পাঠানো হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, তখন বিমানটি প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। এরপর মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে এটি নেমে আসে প্রায় ১৭ হাজার ফুটে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
বিমানটির যাত্রী আলমগ ইতালি বিবিসি নিউজ নাইটকে বলেন, ‘হঠাৎ করে বিমানটি রোলারকোস্টারের মতো হুড়মুড়িয়ে নিচের দিকে নেমে আসতে শুরু করে। মনে হচ্ছিল আমি যেন শূন্যে ভাসছি। ’
২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড বিমানটি এভাবে প্রচণ্ড দ্রুতগতিতে নিচের দিকে নেমে আসে। পরে স্থির হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আবারও সেটি নিচের দিকে নেমে আসতে থাকে— এভাবেই ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার কথা জানান ইতালি।
দ্বিতীয়বার যখন বিমানটি দ্রুত নিচের দিকে নামতে শুরু করে, তখন কয়েকজন যাত্রীকে ককপিটের দিকে ছুটে যেতে দেখেছেন বলেও জানান ইতালি। তিনি আরও বলেন, ‘সম্ভবত একজন পাইলট অন্য এক পাইলটকে নিবৃত্ত করেন। কয়েকজন যাত্রী ও ক্রু মিলে পুরো পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ আনেন। ’
ককপিটের এ ঘটনায় তিন-চারজন যাত্রী সামান্য আহত হয়েছেন। তবে তাঁদের কারও আঘাত গুরুতর নয়। অন্য যাত্রীরা কেউ আহত হননি। সবাই নিরাপদে আছেন। ইতালি বলেন, ‘তাঁরা খুব সাহসী। সত্যিই তাঁরা আমাদের জীবন বাঁচিয়েছেন। ’

