সরকারি নিয়োগে রচিত হয়েছে নতুন ইতিহাস: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, পরিবর্তিত নিয়মে স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কনস্টেবল নিয়োগের মাধ্যমে পুলিশের নিয়োগ তথা সরকারি নিয়োগে এক নবযাত্রা সূচিত হয়েছে। রচিত হয়েছে এক নতুন ইতিহাস।

তিনি বলেন, ১৯৮০ সালের পর পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগে প্রথম পরিবর্তন এনেছে সরকার। সুদীর্ঘ ৪০ বছর পর পরিবর্তিত পদ্ধতিতে কনস্টেবল নিয়োগ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

রোববার (২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘চাকরি নয়, সেবা’ ট্যাগলাইনে পরিবর্তিত পদ্ধতিতে নিয়োগকৃত ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলদের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে। ভিশন ২০৪১ পূরণের মাধ্যমে ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হবে। উন্নত বিশ্বের উপযোগী করে বাংলাদেশ পুলিশকে গড়ে তোলা হচ্ছে। পুলিশকে নিয়ে বিশ্বে গর্ব করি। পুলিশ বাহিনীর মান এখন বিশ্বমানের কাছাকাছি।

তিনি বলেন, দেশের সকল সেক্টরে এখন উন্নয়নের সুবাতাস বইছে। তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে ‘চাকরি নয়, সেবা’ শ্লোগানে সৎ, সাহসী, চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম ৩ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ করা হয়েছে। নতুন নিয়মে নিয়োগকৃত কনস্টেবলদের মৌলিক প্রশিক্ষণেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। তাদের জন্য প্রতিটি কক্ষে ৪ জনের আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ হ্যান্ডবুক পরিবর্তন এবং প্রশিক্ষণ প্রায়োগিক ও বাস্তবভিত্তিক করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্বে অপরাধের ধরণে এসেছে আমূল পরিবর্তন। বর্তমানে সাইবার অপরাধ, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, ট্রান্সন্যাশনাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দক্ষ পুলিশের কোনো বিকল্প নেই। পুলিশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য কনস্টেবল। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ আসামি গ্রেপ্তার, টহল, বেআইনি সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ, পরোয়ানা তামিল, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদের বহুমাত্রিক প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.