জনপথে বনলতা
মৈত্রেয়ী চ্যাটার্জী
সুদূরের কল্পনায় হারিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ দেখা হয়ে যায় কিংবদন্তির সেই বনলতার সাথে।
“জীবনানন্দ দাশ”! মুঠোকরা চিরকূটে একখানি ঠিকানা।
মেঠো চাঁদ পেরিয়ে জনপথে উঠে আসে নাটোরের বনলতা!
তাকে সৃষ্টি করে স্রষ্টা তার কবেই গেছে হারিয়ে!
তাই এলোমেলো আজ তার বিদিশার নিশা।
পাখির নীড়ের চোখ ভেঙে গেছে ঝড়ে।
শ্রাবস্তীর কারুকাজেও ধূসর মলিনতা
বনলতা সেন তবু শহরের পথ হাঁটে,
কবি তার চিরঘুমে প্রাণঘাতী ট্রামে।
একবার যদি সেই স্রষ্টার দেখা পায়!
কবিতার হাত ধরে বনলতা ছুটে যায়।
বনলতা মিশে গেছে আমার ভিতরে।
পথ চলি আমিও হাজার বছর ধরে।
স্মৃতির আখরে লিখি জীবনের কবিতা,
জেগে ওঠে পাঠ করে সৃষ্টির বনলতা।

