সিরাজুল আলম খান কি জানতেন??

“আওয়ামী লীগের অপেক্ষাকৃত জ্যেষ্ঠ নেতাদের সংশয়ের বিপরীতে সিরাজুল আলম খানের (‘কাপালিক সিরাজ’ নামে পরিচিত ছিলেন) মতো তরুণ নেতারা একটা সর্বাত্মক স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেরণা জাগাতে সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। ৭ মার্চের জনসভায় যোগ দিতে যাওয়ার আগে আমি ও নুরুল ইসলাম গাড়ি চালিয়ে ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের ইকবাল হলে যাই তরুণ প্রজন্মের মনের অবস্থা বোঝার জন্য। সেখানে ঘটনাক্রমে আমাদের দেখা হয় কাপালিকের সঙ্গে, তাঁকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। তিনি আমাদের এমন আভাস দিলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা উচ্চারণের মতো নাটকীয় কিছুর প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না। পরে যেমনটি দেখা গেল, বঙ্গবন্ধু তাঁর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে প্রভাব সৃষ্টিকারী ভাষণটি দেন সেই দিন। সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা উচ্চারণ না করেই তিনি পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেন যে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামে আত্মনিবেদনের জন্য বাঙালিদের প্রস্তুত থাকতে হবে। ফলে আলোচনার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভের পথ বা অন্ততপক্ষে আইনগত দিক থেকে না হলেও সারবত্তার দিক থেকে একধরনের স্বাধীনতা অর্জনের পথ খোলা রইল।
ওপরে আলোচিত বিষয়গুলোর কিছু কিছু আমি লিখিতভাবে তুলে ধরেছিলাম ফোরাম পত্রিকায়, ১ মার্চের আগের উত্তেজনাময় সময়ে। আমার লেখার মূল কথা ছিল, পাকিস্তানের বর্তমান সংকট মোকাবিলার একমাত্র পথ হচ্ছে ছয় দফার বাস্তবায়ন। সেটা করলে কী হবে তা-ও আমি বিস্তারিতভাবে বলার চেষ্টা করেছি। আর তা না হলে সংগ্রাম ও স্বাধীনতার পথই বেছে নেবে বাঙালি। বাঙালিদের মধ্যে তখন আর পাকিস্তানপ্রেমের অবশিষ্ট কিছু ছিল না, কিন্তু তখন বিষয়টা ছিল এ রকম: বাঙালিদের বেরিয়ে যাওয়া কি সাংবিধানিক উপায়ে হবে, নাকি সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।”
ডক্টর রেহমান সোবহান এটা লিখেছেন। আমরা যদি এ লেখাকেই বিশ্লেষণ করি তাহলে ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধু কি বলবেন সেটা সিরাজুল আলম খান আগেই অবহিত ছিলেন। তবে সিরাজুল আলম খানের বঙ্গবন্ধুর মুখের থেকে যেটুকু আদায় করা দরকার ছিল সেটুকু তিনি ঠিকই আদায় করে নিয়েছিলেন। সিরাজুল আলম খান ভালো করেই জানতেন বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ স্বাধীনতার মতো কোন ঘোষণা দিবেন না।কারণ বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্র ক্ষমতা প্রত্যাশি।তারা স্বায়ত্বশাসনের দাবিতে অটল।
“২৫শে মার্চ ১৯৭১ চরম আদেশ প্রদানের পর পাক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান যখন করাচীতে ফিরে যাচ্ছিলেন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সেনাদল ঢাকা ও চট্টগ্রাম সহ সারাদেশব্যপী গণহত্যার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তখন একজন আওয়ামীলীগের পত্রবাহক শেখ মুজিবের স্বাক্ষরিত প্রেস রিলিজ দেশি ও।বিদেশি সাংবাদিকদের মাঝে বিলি করছিলেন। এই প্রেস রিলিজের বক্তব্য ছিল যে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সাথে আলোচনা সমাপ্ত হয়েছে। ক্ষমতা হস্তান্তর সম্পর্কে আমরা মতৈক্যে পৌঁছেছি এবং আশাকরি প্রেসিডেন্ট তার ঘোষনা দিবেন।” (দি রেইপ অব বাংলাদেশ। লেখকঃঅ্যান্থনি মাসকারেণহাস।পৃষ্ঠা ১০৭)।যারা ২৫শে মার্চ পাকিস্তানের রাষ্ট্র ক্ষমতা পেতে আশাবাদী তাদের পক্ষে ৭ই মার্চে স্বাধীনতার কল্পনা কি করে চিন্তায় আসতে পারে।
তবে বঙ্গবন্ধু ছিলেন ব্যতিক্রম তিনি ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন এটা সঠিক। ইপিআর এর মাধ্যমে তার তারবার্তা সারাদেশ ও বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হয়েছিল এটাও সঠিক।কিন্তু কিভাবে কার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু তারবার্তা বা স্বাধীনতার ঘোষনা পিলখানা ইপিআর দপ্তরে পৌঁছেছিল সেটা কি কেউ জানেন? মুক্তি্যুদ্ধে ইপিআর গ্রন্থে সুবেদার শওকত আলীর বক্তব্য থেকে জানা যায় ২৫শে মার্চ রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজি আরিফ নামের একজন ছাত্র তাদের হাতে তারবার্তাটি পৌছে দেয়।এখানে কাজি আরিফ বলতে আমরা জানি নিউক্লিয়াস সদস্য কাজি আরেফ আহমেদ। তিনি যখন তারবার্তাটি পৌছে দিয়েছিলেন সেকারণে এ বিষয় নিশ্চিত সিরাজুল আলম খান ওয়াকিবহাল ছিলেন।এবং ধারনা করা যায় বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগের কোন নেতাকে নয় তিনি সিরাজুল আলম খানের কাছেই তার স্বাধীনতা ঘোষনার তারবার্তা হস্তান্তর করেছিলেন বা সিরাজুল আলম খান তার লালিত সপ্ন বাস্তবায়ন করতে বঙ্গবন্ধুর কাছে থেকে এ ঘোষনার তারবার্তা আদায় করে নিয়েছিলেন।। যেভাবে তিনি ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধু মুখ থেকে “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম “ঘোষনাটি আদায় করেছিলেন।। প্রশ্ন আসতে পারে তাজউদ্দীন কন্যা শারমিন আহমেদ তার গ্রন্থ “নেতা ও পিতা” তে উল্লেখ করেছেন ২৫শে মার্চ ৭১ রাত দশটায় তাজউদ্দীন সাহেব বঙ্গবন্ধুর সাথে শেষ সাক্ষাতে তার কাছে স্বাধীনতার ঘোষনার একটি প্রমাণ বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষরিত একটি কাগজ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাহলে তার দুঘণ্টার মধ্যেই কিভাবে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনার তারবার্তা সিরাজুল আলম খান বা কাজি আরেফ আহমেদ জোগাড় করলেন।এ জবাব একমাত্র সিরাজুল আলম খান দিতে পারবেন বাকি দুজন এখন আর জীবিত নেই।।
ডঃ রহমান সোবহানের লেখার শেষের অংশ পর্যালোচনা করলে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে যাবে। তিনি লিখেছেন পাকিস্তানের বর্তমান সংকট মোকাবিলা র একমাত্র সমাধান ছয়দফা মেনে নেওয়া যা আওয়ামীলীগ দাবি করে আসছে আর তা নাহলে স্বাধীনতার সংগ্রামই বাঙালি বেছে নিবে যেটা সিরাজুল আলম খান চাইছেন।
এখানে সিরাজুল আলম খান তার স্বাধীনতার সংগ্রামে সামনে রাখছেন জাতীয়তাবাদী নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে। তিনি চাইছেন শেখ মুজিবের মুখের একটিবার স্বাধীন বাংলাদেশের নামের উচ্চারণ। তিনি জানতেন শেখ মুজিব ৭ই মার্চে কোন স্বাধীনতার ঘোষণা দিবেন না।তিনি পাকিস্তান রাষ্ট্র ক্ষমতার মধ্যেই সমাধান খুজবেন।তারপরও সিরাজুল আলম খান বঙ্গবন্ধুকে দিয়ে এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতারসংগ্রাম এটুকুই আদায় করতে চেয়েছিলেন।তিনি সফলও হয়েছিলেন।
আজকে বলা হচ্ছে মিটিং শেষে নাকি সিরাজুল আলম খান বলেছেন লিডার এটা কি করলেন। ডঃ রহমান সোবহানের লেখা কি সেটা বলে? যিনি আগেই জানতেন লিডার কি বলবেন তারতো আশাহত হবার কোন কারণ নেই। তিনিতো ৭তারিখ সকালেই ডঃ রহমান সোবহানের কাছে বলে দিয়েছেন “স্বাধীনতা ঘোষণার মতো কোন নাটকীয়তার প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না”। তার মানে সিরাজুল আলম খান জানতেন বঙ্গবন্ধু কোন স্বাধীনতার ঘোষণা দিবেন না।
সিরাজুল আলম খান জানতেন নয় মানতেন সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমেই বাংলাদেশকে স্বাধীন জাতিরাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এবং সেলক্ষ্য নিয়েই তিনি গড়ে তুলেছিলেন স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ ও নিউক্লিয়াস। তার মাধ্যমেই তিনি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছাতে পেরেছিলেন ১৯৭১সালে।নেতাজী সুভাস বোসের রাজনৈতিক অনুপ্রেরণায় বিশ্বাসী সিরাজুল আলম খানের প্রয়োজন ছিল একজন জাতীয়তাবাদী নেতারা সেকারণেই তিনি খুঁজে নিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানকে। বানিয়ে ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধু চাইতেন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ক্ষমতা। যা নির্বাচন করেই পাওয়া সম্ভব। আর সিরাজুল আলম খান বিশ্বাস করতেন সশস্ত্র যুদ্ধ করে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে একটা জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।দুজনের জন্য দুজনেই ছিলেন পরিপূরক। বঙ্গবন্ধুর যেমন নির্বাচনে জিততে সিরাজুল আলম খানের নেতৃত্বাধীন মিলিট্যান্ট ফোর্স ছাত্রলীগকে প্রয়োজন তেমনই সিরাজুল আলম খানেরও সশস্ত্র বিপ্লব করে জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর মতো একজন জাতীয়তাবাদী নেতৃত্ব প্রয়োজন।
বঙ্গবন্ধু যেমন ১৯৭০ সালে সিরাজুল আলম খানের ছাত্রলীগের নেতাদের নিয়ে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে ভূমিধ্বস বিজয় ছিনিয়ে এনে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ক্ষমতা প্রত্যাশা করছিলেন।সিরাজুল আলম খানও ১লা মার্চ ১৯৭১ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণার সাথে সাথে জাতিকে স্বাধীনতার ও মুক্তিযুদ্ধের পথে রাজপথে টেনে এনেছিলেন। ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে লক্ষ জনতার সামনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন, ৩রা মার্চ বঙ্গবন্ধুর সামনে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইস্তেহার ঘোষণা। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র তার সীমানা, তার পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত,রাষ্ট্রের স্থপতি সর্বাধিনায়ক , সেনা অধিনায়ক, রাষ্ট্র কিভাবে চলবে তার পূর্নাঙ্গ ঘোষণাই সেখানে ছিলো। এটাই বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীনতার একমাত্র পূর্নাঙ্গ ঘোষণা ছিলো। সিরাজুল আলম খান জাতিকে স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রামের পথেই যাত্রা শুরু করে দিয়েছিলেন। জাতিকে এ পথের থেকে আর ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব ছিলো না এটা সিরাজুল আলম খান ভালো করেই বুঝতে পারছিলেন।তবুও তিনি চাইছিলেন বঙ্গবন্ধুর মুখের থেকে স্বাধীনতার একটি ঘোষণা যা তিনি ৭ই মার্চে আদায় করে নিয়েছিলেন।
বঙ্গবন্ধু বা আওয়ামী লীগের নেতারা যতই পাকিস্তানের ক্ষমতা পেতে ইয়াহিয়ার সাথে আলোচনা করুণ জাতি কিন্তু স্বাধীনতার দাবিতে অটল। একদিকে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব পাকিস্তানের শাসন কাঠামো রেখে সমঝোতা করে ক্ষমতা ভোগ করতে চাইছেন অপরদিকে সিরাজুল আলম খানের লোকেরা পাকিস্তানি পতাকা পুড়িয়ে সারাদেশে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে দিচ্ছে। এটাই ছিলো সেদিনের বাস্তবতা। বঙ্গবন্ধু আর সিরাজুল আলম খানের সম্পর্ক দ্বান্দ্বিকতার নাকি সমঝোতার সেটা তারা দুজনেই জানতেন। ফলে তাদের কথোপকথন নিয়ে কোন বিরুপ সমালোচনা অবশ্যই কালের বিচারে ছেড়ে দিতে হবে।।
ছাত্রলীগের স্বাধীনতাপন্থি অংশ তথা ‘স্বাধীনতার নিউক্লিয়াস’পন্থিরা জাতীয়তাবাদী সংগ্রামকে স্বাধীকার সংগ্রাম, স্বাধীকার সংগ্রামকে স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বাধীনতা সংগ্রামকে মুক্তিযুদ্ধের পথে পরিচালিত করতে অগ্রসর ও মূলচালিকা শক্তি হিসাবে ভূমিকা পালন করেছিল। এ কাজগুলোর কোনটিতেই বঙ্গবন্ধু বিরোধিতার প্রশ্নই অবান্তর। বরং সব কিছুতেই অনুমোদন-সমর্থন দিয়ে বঙ্গবন্ধু সামনের দিকে এগিয়ে দিয়েছেন। ১৯৬৯ সালে জয় বাংলা স্লোগান চালু করা, শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া, ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা ২ মার্চ স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন, ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ, ১৯৭১ সালের মার্চে ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধর-বাংলাদেশ স্বাধীন কর’ স্লোগান দিয়ে ছাত্রলীগের সদস্যদের প্রকাশ্য সামরিক প্রশিক্ষণ ও মার্চপাস্ট, ২৩ মার্চ সামরিক কুচকাওয়াজের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন, ২৫ মার্চের কালোরাতে পাকহানাদার বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের পর ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে সাথেই ঢাকাসহ সারা দেশে প্রাথমিক সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মুক্তিযুদ্ধকে একটি রাজনৈতিক জনযুদ্ধ হিসাবে বিবেচনা করে দীর্ঘমেয়াদী জনযুদ্ধের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএলএফ তথা মুজিব বাহিনী গড়ে তোলা ছাত্রলীগের স্বাধীনতাপন্থি অংশ তথা স্বাধীনতার নিউক্লিয়াসের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ।।
তবে এটাই সঠিক সিরাজুল আলম খান বঙ্গবন্ধুকে সামনে রেখেই একটি স্বাধীন জাতি রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্মে দিতে চেয়েছিলেন তিনি সেটা দিয়েছেন এমনকি বঙ্গবন্ধু অনুপস্থিতিও সেটাকে রোধ করতে পারে নাই।।
আহমেদ ফজলুর রহমান মুরাদ ,রাজনৈতিক বিশ্লেষক ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.