সিনেমার পর্দায় ‘মুন্নাভাই’ যেখানে, তার ‘সার্কিট’-ও সেখানে। মেডিক্যাল কলেজে ভাইয়ের কী প্রয়োজন তাও দেখত, আবার ভাইয়ের অবর্তমানে তার কাজকর্মও সামলাত। ভাইয়ের মর্জি ছাড়া সার্কিটের জীবনের এক মুহূর্তও চলত না। শুধুমাত্র অনুগত সহচর নয় ‘মুন্নাভাই’-এর ফ্রেন্ড-ফিলোজফার-গাইড ছিল সার্কিট।
পর্দার ‘মুন্নাভাই’ আজ বাস্তবের মারণ রোগের সঙ্গে লড়াই করছে। করোনার আবহে ‘জাদু কি ঝাপ্পি’ না দিতে পারলেও আবেগের বন্যায় ভাসলেন সার্কিট ওরফে আরশাদ ওয়ারসি। বললেন, “এক জীবনে কাউকে এত কষ্ট সহ্য করতে দেখিনি। কখনও নিজের জীবনের কষ্টের কাহিনি নিয়ে বাড়িয়ে কথা বলতে শুনিনি। সঞ্জয় একজন প্রকৃত যোদ্ধা। আর প্রকৃত যোদ্ধার মতোই এই কঠিন যুদ্ধে জিতে ফিরবে।”
বন্ধু সঞ্জয় দত্তকে ফাইটার আখ্যা দিয়েছেন দক্ষিণী তারকা চিরঞ্জীবিও। তারও বিশ্বাস বলিউডের সঞ্জু বাবা এই কঠিন যুদ্ধে জয়লাভ করবেন।
সঞ্জয় দত্তের ক্যানসারের খবরে শোকস্তব্ধ বলিউড। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সঞ্জয় দত্তের আরোগ্য কামনা করেছেন। প্রেমিকা আলিয়া ভাটকে নিয়ে সঞ্জয়ের বাড়িতে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন রণবীর কাপুর।
‘সঞ্জু’-তে নিজের চরিত্রে অভিনয় করতে রণবীরকে সাহায্য করেছিলেন সঞ্জয়। সেই সময় থেকেই দু’জনের নৈকট্য। ‘শামশেরা’-তেও দু’জনের একসঙ্গে অভিনয় করার কথা ছিল। ‘শামশেরা’ ছাড়াও সঞ্জয়ের আগামীর তালিকায় রয়েছে ‘ভুজ-দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া’, ‘পৃথ্বীরাজ’, ‘তোরবাজ’ আর ‘কেজিএফ চ্যাপ্টার টু’।
‘কেজিএফ চ্যাপ্টার টু’-র এক্সিকিউটিভ প্রযোজক কার্তিক গৌড়ার দাবি, তিন মাসের মধ্যেই সঞ্জয় দত্ত ফিরে আসবেন। এমনটাই জানিয়েছেন সঞ্জয় দত্তের টিম। ফিরে এসে ছবির কাজ সম্পূর্ণ করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

