চীনের করোনা ভ্যাকসিন প্রথমেই পাবে বাংলাদেশ

চীনের করোনা ভ্যাকসিন প্রথমেই পাবে বাংলাদেশ(এরকম খবর দেখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। সারা বিশ্বে এখন থাবা বসিয়েছে করােনাভাইরাস।

বিশ্ব জুড়ে ক্রমাগত বাড়ছে নভেল করােনা ভাইরাস আক্রান্ত রােগীর মৃত্যুরসংখ্যা। ফলত গােটা বিশ্বের চিকিৎসা বিজ্ঞানী মহলের কপালে দেখা দিয়েছে চিন্তার ভাঁজ।বর্তমানে গােটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শুরুকরেছে এই করােনা ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের প্রচেষ্টা। আর তাই কার্যত সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেযাচ্ছেন এই মারণ ভাইরাসকে বাগে আনার জন্যে ।

অনেকে মনে করেন এই করোনায় ময় বিশ্বে চীনই তো মূল খেলোয়াড়। যা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রেরবিরোধও চরমে।

করোনার বিস্তার নিয়ে প্রায় সব দেশের আঙ্গুল সরাসরি চীনের দিকে!  করোনায় বিশ্বের সবদেশে যখন মৃত্যুর মিছিল চলছে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে নাকানিচোবানি খেতে খেতে অবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকছে সেখানে চীন ঠান্ডা মাথায় সবকিছুহ্যান্ডেলিং করছে।

বড় কোম্পানিগুলোর বাইরে কিছু ছোটো ঔষধ কোম্পানি চেষ্টা করছে কোভিড-১৯ এর  ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের জন্য, যে ভাইরাসেএরই মধ্যে প্রাণ হারিয়েছে অনেক মানুষ(প্রায় সারে চার লক্ষের উপরে)।

অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীগণ  যখন করোনা ভ্যাক্সিন  আবিস্কার নিয়ে কোন কিছু আপডেড দেয় তখন চীনের ভ্যাক্সিন আবিস্কারেরসফলতার আপডেড দেয়। সবার কি মনে হয় জানিনা তবে আমার মনে হয় চীন ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন আবিস্কার করে ফেলেছে।

তবে কেন আন্তর্জাতিক ভাবে অফিসিয়ালি রিলিজ করছেনা বুঝতে পারছিনা। রাজনীতি, কুটনীতি বা আর অন্যকোন নীতিঅবলম্বন করছে কিনা কে জানে? তবে সর্প হয়ে দংশন করে যাচ্ছে একেবারে অন্তিম মুহুর্তে ওঝাঁ হয়ে ঝাড়বে মনে হয়!!

চীনে ভ্যাক্সিনের পরীক্ষা নীরিক্ষা চালাতে চালাতে বানর সংকট দেখা দিয়েছে তবে ইতিমধ্যে নাকি পরীক্ষা নীরিক্ষা গুঠিয়েএনেছে চীনা পাঁচটি কোম্পানী একযোগে ভ্যাক্সিন নিয়ে কাজ করছে তাতে  তো আর সবাই বিফল হতে পারেনা। তাই বলছিভ্যাক্সিন আবিস্কার সম্পন্ন করেছে মনে হয়(এটার আমার একান্ত নিজস্ব ধারনা)!

ইতিমধ্যে চীনের প্রেরিত ডাক্তারদের একটি মেডিকেল টীম করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশে কাজ করেছে তবে তাহারা বাংলাদেশেরমানুষ একেবারেই অসচেতন বলে মন্তব্য করেছেন। তবে আশার কথা শুনিয়েছেন। চীন যদি করোনা ভ্যাক্সিন  Successfully Official Release করে তাহলে প্রথম দিকেই বাংলাদেশ কে দেওয়া হবে, বলেছেন Bangladesh China Mission Deputy Chief হুয়ালং ইয়ান।ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান আরও বলেন, বাংলাদেশ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু এবং এক্ষেত্রেবাংলাদেশ অবশ্যই অগ্রাধিকার পাবে। আশায় রইলাম  কোটি কোটি নেগেটিভ নিউজের মধ্যে একটি পজেটিভ নিউজ আর কিছুই পারুক বা নাইবা পারুক খানিকটামনোবল তো চাঙ্গা রাখতে পারবে।মনোবল চাঙ্গা থাকলে এন্টিবডি তৈরী হবে!!

সবশেষে যা না বললেই নয়, তাহলো পরিস্কার–পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। আর একেবারেই জরুরি দরকার ছাড়া বাইরে যাবেন না।বিপদে একে অন্যর পাশে দূর থেকে হলেও দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। পরিবারের শিশু ও বয়স্কদের যত্ন করুন। সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

20181210_131841

লেখক: আবু জাফর শিহাব(এল এল বি)

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.