প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত অনুযায়ী, বিকেল ৩টায় নির্ধারিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশে যোগ দিতে সমর্থকদের কাঁধে করে সভাস্থলের দিকে এগোচ্ছিলেন অভিজিৎ দিপকে। এ সময় ভিড়ের মধ্য থেকে কয়েকজন তাকে টেনে নিচে নামিয়ে মারধর করে এবং তার স্কার্ফ ধরে টান দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
দলের জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হামলাকারীদের ছবি প্রকাশ করে তাদের বিজেপির কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) রাজ্য মুখপাত্র অভিষেক জৈন বিট্টু প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি, যার কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে দলের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, সমাবেশের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বিকেল ৩টায় নির্ধারণ করা হয়েছিল যাতে প্রচণ্ড গরমে জনসমাগম কমে যায়।
হামলার পর প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দিপকে বলেন, সমাবেশস্থলে প্রবেশের সময় তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। তবে তিনি শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে সহিংসতার পথ না নেওয়ার ঘোষণা দেন।
পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, এটি জনগণকে ভয় দেখানো এবং মূল ইস্যু থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা। তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টি মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন হিসেবে যাত্রা শুরু করে, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা পায়। দলটি শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে।

