আজ সোমবার (১৫ জুন) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব তথ্য জানান।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, বেনজীর আহমেদ শুধু শাপলা চত্বরের ঘটনারই মাস্টারমাইন্ড নন, তিনি দেশে সংঘটিত অসংখ্য গুম ও খুনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং টেকনাফের একরাম হত্যাসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে প্রায় ১০টি মামলার তদন্ত চলছে।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, বেনজীর আহমেদ শুধু শাপলা চত্বরের মাস্টার মাইন্ড নন, তিনি গুম-খুনের সঙ্গেও জড়িত। ট্রাইব্যুনাল থেকে তার গ্রেফতারি পরোয়ানার নথি দুবাই সরকারকে পাঠানো হয়েছে, তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে কঠোর বিচার করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর আরও অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের একতরফা ও অবৈধ নির্বাচনগুলো সফল করার অন্যতম প্রধান কুশীলব ছিলেন এই বেনজীর আহমেদ। তিনি র্যাব ও পুলিশে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসংখ্য মানুষকে নির্বিচারে খুন এবং অমানবিক নির্যাতন করেছেন। তাকে দ্রুত দেশে ফেরত এনে ট্রাইব্যুনালের চলমান মামলাগুলোতে হাজির করা হবে এবং আইনের মুখোমুখি করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

