মশা মারতে কামানের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু মশার প্রজনন রুখতে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও জনসচেতনা। মশার প্রজনন জলে তাই যদি আমরা সর্বস্থানে এই জলাবদ্ধতা রোধ করতে পারি তবেই সম্ভব মশার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া। শহরের ড্রেনেজ ব্যাবস্থাপনাকে যদি আমরা উপর থেকে প্রটেক্ট করতে পারি এবং নালা নর্দমা উপর থেকে স্লাপ দিয়ে বন্ধ করতে পারি, বিন্দুমাত্র পানি কোথাও জমাট বাঁধতে না দেই তবেই সম্ভব সার্বিক ভাবে মশাকে চিরতরে বিদায় দেওয়া। শহর নগর বন্দর গুলোতে পানি প্রবাহের সকল উৎস্যকে নিতে হবে এই পরিকল্পনার আওতায়। একটি শহরে জলাবদ্ধতা হওয়ার কারণ হচ্ছে কত মিঃ লিঃ লিটার বৃষ্টিপাত হয় তা সঠিক প্রবাহ দিয়ে জলাবদ্ধতা দুর করা সম্ভব কিনা তার উপর। তাই প্রতিটি ওয়ার্ড মহল্লায় প্রয়োজন, সেই পানি ধারণ করার মতো ওয়াটার রিজার্ভ পন্ড ও ওয়াটার রিসাইক্লিন ব্যাবস্থাপনা। যা আবর্জনা মিশ্রিত পানি হতে আবর্জনা আলাদা করে স্বচ্ছ পানি প্রবাহ সচল রাখতে সংযোগ ক্যানেলে শহর থেকে দুরে প্রবাহ করতে সহায়ক হবে। তবে যদি এই পানি মুক্ত খাল প্রকল্পতে প্রবাহিত হয় তবে অবশ্যই স্রোত সঞ্চলন থাকতে হবে, আর যদি আন্ডার গ্রাউন্ড দিয়ে প্রবাহিত করতে হয় তবে প্রয়োজন অনুপাতে পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে স্রোত সঞ্চালন করার ব্যাবস্থা থাকতে হবে। এক কথায় ড্রেনেজ ব্যাবস্থায় যখনই ১০০% পানি সঞ্চলন নিশ্চিত তখন মশার প্রজনন বন্ধের নিশ্চয়তা থাকবে।
শহর নগর বন্দর সর্বত্র নালা নর্দমায়, জলাবদ্ধতা, উপর থেকে সার্বিক ঢেকে দিন, আবর্জনা মুক্ত করুন, পুকুর থাকলে আবর্জনা মুক্ত করে সচ্ছলতার ব্যাবস্থা করুন
খালে জল প্রবাহে সচ্ছলতা নিয়ে আসুন, বিন্দুমাত্র পানি ব্যবহৃত স্থানে জমতে না দেওয়ার ব্যাবস্থা করুন সকল প্রকার আবর্জনার অপসারনের সঠিক নিয়ম মেনে চলুন, মশা বলতে আপনার শহর বন্দর নগরে কিছুই থাকবে না।
মায়দুল ইসলাম তালুকদার , জার্মান প্রবাসী কবি এবং সমাজকর্মী ।

