নারায়ণগঞ্জ শহরের ভাসমান ও অসহায় মানুষের জন্য বাসদের ‘কমিউনিটি কিচেন’ 

basod-jc-2005021430

 

 নারায়ণগঞ্জ শহরের ভাসমান, অসহায় ও দরিদ্র মানুষগুলো খুবই দুঃখ-কষ্টে দিনযাপন করছে। বর্তমান করোনাকালে অনাহার-অর্ধাহার তাদের নিত্যসঙ্গী। তাদের মুখে খাবার তুলে দিতে জেলা বাসদ হাতে নিয়েছে এক অনন্য উদ্যোগ।

শনিবার (২ মে) থেকে শহরে দুই নং রেলগেটস্থ বাসদ কার্যালয়ে চালু করা হয়েছে ‘কমিউনিটি কিচেন’। সন্ধ্যায় শতাধিক ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষকে খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে এ কমিউনিটি কিচেনের কার্যক্রম শুরু হয়।

এ ব্যাপারে বাসদের জেরা সমন্বয়ক নিখিল দাস বলেন, ‘এই করোনাকালে সবচেয়ে দুর্দশাগ্রস্ত পরিস্থিতিতে আছে ছিন্নমূল ও দরিদ্র অসহায় মানুষ। তাদের জন্য বাসদের উদ্যোগে প্রতিদিন একবেলা খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। শতাধিক মানুষ দিয়ে শুরু হলেও এ সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা আমাদের সামর্থ্য দিয়ে শুরু করেছি। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষদের সহযোগিতা পেলে আরও অধিক সংখ্যায় ছিন্নমূল মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পারবো বলে আমাদের বিশ্বাস।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কেরোনা ভাইরাসের শুরু থেকেই হ্যান্ড স্যাটিাইজার ও মাস্ক বিতরণসহ সবাইকে সচেতন করার চেষ্টা করেছি। এরপর পোশাক কারখানাসহ অন্যান্য শিল্প ও কল কারখানা বন্ধ হওয়ার ফলে যেসব শ্রমিক এবং দিন মজুরদের কাজ বন্ধ হয়ে যায়, আমরা তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছি। এখন আমরা দেখলাম আমদের অফিসের চারপাশসহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় যেসব ছিন্নমূল ও ভাসমান মানুষ রয়েছে তারা ত্রাণ পেলেও পরিবার সংশ্লিষ্ট না থাকায় খাবার খেতে পারছেন না। এখন শহরের বিভিন্ন হোটেল রেস্টুরেন্টসহ খাবারের দোকানগুলো বন্ধ রয়েছে। এসব জায়গা থেকে ভাসমান বা ছিন্নমূল মানুষ বিভিন্নভাবে খাবার খেত। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ থেকে একবেলা তাদেরকে রান্না করা খাবার পেিবশন করবো।’

‘তাছাড়াও যদি কারও খাবারের সমস্যা থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা তার ব্যবস্থা করবো। তবে আমদের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে না। এটি নিয়মিত আমদের সাধ্য অনুযায়ী চলবে’ বলছিলেন নিখিল দাস।

শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি সেলিম মাহমুদ, এমএ মিল্টন, সুলতানা আক্তার প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সুত্র। যুগের চিন্তা ।

শুদ্ধস্বর/বিটি

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.