মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:মৌলভীবাজার জেলার সীমান্তবর্তী হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানাধীন এশিয়ার বৃহত্তম বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট “সামিট বিবিয়ানা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট” এর রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেলসহ এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল অনুমান ৮ঘটিকার সময় নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত পাহাড়পুর গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে মোঃ জায়েদ মিয়া (২২) এর মৃতদেহ পরিত্যক্ত অবস্থায় এলাকাবাসী দেখতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মিহতের সুরতহাল রির্পোট তৈরী করে হবিগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এব্যাপার নিহতের পরিবারের সাথে কথা হলে জানানো হয়, জায়েদ শেরপুরবাজারে একটি পানদোকানের ব্যাবসা করে। সে প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে গেলে রাতে আর বাড়িতে আসেনি। রাতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোনে থাকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে সকালে এলাকাসীর মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, জায়েদ মারা গিয়েছে। তার লাশ বিদ্যুৎ প্ল্যান্টের রাস্তার পাশে পরে আছে।
তবে জায়েদকে যে অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেছে তাতে নিঃসন্দেহে তাকে খুন করা হয়েছে। কারণ তার মাথায় ও মাথার পেছনে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে কুপানো হয়েছে ফলে পরিবারের ধারণা পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে তাকে। তবে কে-বা কারা তাকে হত্যা করেছে তা’তাদের কোনো ধারণা নেই এমকি করো প্রতি সন্দেহও নেই বলে জানায় নিহতের ভাই। যার ফলে প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তার নিকট জায়েদ হত্যার পেছনে কে-বা কারা রয়েছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে সুষ্টু বিচারের দাবী জানায় জায়েদের পরিবার।
স্বজনরা আরও বলেন, জায়েরে বিয়ের আলাপ চলছে! আগামীকাল ৬ মার্চ শুক্রবার তার বিয়ের দিন তারিখ ধার্য্য করার জন্য কনে পক্ষের বাড়ি যাওয়ার কথা রয়েছে। যার সাথে বিয়ে হওয়ার কথা সেই কনের সাথে জায়েদের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং উভয় পরিবারের সর্বসম্মতিক্রমে তার বিয়ের আলাপ চলছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পারভেজ আলম ও নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। লাশ দেখে মনে হয় এটি একটি পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘানের আমরা চেষ্টা করছি। অপরাধী যেই হোক না কেন,তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।
আব্দুস সামাদ আজাদ, মৌলভীবাজার
তাং—৫ মার্চ ২০২০/মোবাইল—০১৭১২৮৮২৭৫৩

