পটোল ভাজি, দোলমা, মাছ, মাংসের সঙ্গে বা অন্য সবজির সঙ্গে রান্না করা হয়। আলুর সঙ্গেও পটোল বেশ মানায়। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘বি’ ১, ভিটামিন ‘বি’ ২ ও ভিটামিন ‘সি’, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। আয়ুর্বেদে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার হয় পটোলের। জেনে নেয়া যাক পটোলের কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে,
হজম শক্তি বাড়ায়
সবুজ রঙের পটোলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ। এই ফাইবার খাদ্য হজম করতে সাহায্য করে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে।
রক্ত পরিষ্কার করে
নিয়মিত পটোল খেলে আমাদের রক্ত পরিষ্কার থাকে। ফলে ত্বক ভালো থাকে। তাই ত্বকের যত্ন নিতে বেশি করে পটোল খেতে হবে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
পটোলে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকায় পেট ভরা মনে হয় এবং ক্ষুদা কম লাগে। ওজন কমাতে নির্দ্বিধায় পটোল খেতে পারেন। নিয়মিত পটোল খেলে শরীরের ওজন বাড়ে না।
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়
পটোলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ও চিনির পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে। ফলে হƒদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে না। তাই নিয়মিত বেশি করে পটোল খান।
ত্বক ভালো রাখে
পটোলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফলে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে না।
পটোলের ঔষধি গুণ
পটোল ও ধনেপাতা থেঁতলে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। মিশ্রণটি ৩ ভাগ করে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ৩ বার আলাদাভাবে খেলে হজমের সমস্যা দূর হয়। পটোলের রস মাথায় লাগালে মাথাব্যথা কমে। পটোলের পাতার রস দ্রুত ক্ষত নিরাময়ে সাহায্য করে এবং টাকের সমস্যা সমাধানেও কাজে লাগে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পটোলে রয়েছে-
প্রোটিন ২ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মি.গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ২.২ গ্রাম, ফসফরাস ৪০ মি.গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ২৫৫ আইইউ, লৌহ ১.৭ মি.গ্রাম, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম, পটাশিয়াম ৮৩ মি.গ্রাম, নিকোটিনিক এডিস ০.৫ মি.গ্রাম, ভিটামিন ‘সি’ ২০ মি.গ্রাম, আঁশ ৩ গ্রাম।
শুদ্ধস্বর/এইচ বি

