তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গা আমাদের দেশের জন্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই সরকার এই সমস্যাতো সমাধান করেইনি। উল্টো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কয়েকদিন আগে সেই পুরোনো কথা শুরু করেছেন। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিএনপিকে তারা দায়ী করেছেন। বিশেষকরে আমাকে দায়ী করেছেন। রোহিঙ্গাদেরকে নাকি আমরা উসকে দিচ্ছি। এটা এক ধরণের আত্মহননের কথা। আমরা মনে করি এই ধরণের কথা বার্তা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। মিয়ানমারকে আরো শক্তিশালী করবে এবং বাংলাদেশের সমস্য আরো বৃদ্ধি করবে।
ফখরুল আরো বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে দেশে ফিরে স্থায়ীভাবে জীবন সম্পদের নিরাপত্তা, পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারে সেই নিশ্চয়তা বিধান করতে বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বলিষ্ট কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এর জন্য জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। এর জন্য জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।
সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদি ড. মাহবুব উল্লাহ, মোফাজ্জল করিমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন, নরওয়ে, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীন, ইউএন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, পাকিস্তান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, ডেমক্রেসি ইন্টারন্যাশনালসহ বেশ কয়েকটি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।

