অ্যাডভোকেট আনসার খান : ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালানোর নির্দেশ দেবার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে হামলা না চালানোর নির্দেশ দেন তাঁর সংশ্লিষ্ট জেনারেলদের।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্তের কারণে বিশ্ববাসী এবং ইরানী জনগণ বড় ধরনের এক বিপজ্জনক যুদ্ধের ভয়াবহ তান্ডব থেকে আপাতদৃষ্টিতে রক্ষা পেয়েছে। যুদ্ধটা শুরু হলে ইরানের জনগণ অবর্ণনীয় সংকটে পড়তেন, হাজার হাজার নিরীহ মানুষজন নিহত এবং আহত হতেন, আর হাজার হাজার মানুষ স্থানান্তরিত হতেন-বেছে নিতে হতো উদ্বাস্তুর জীবন এবং ধ্বংস হতো ইরানের স্থাপনা-অবকাঠামো ইত্যাদি।
আমেরিকানদের হামলা সহজভাবে মেনে নেবার কোনো কারণ ছিলো না ইরানের। অর্থাৎ আমেরিকানদের হামলার জবাব অস্ত্র দিয়ে দিতো ইরান। ফলে পুরো দস্তোর একটা যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাসীর জীবনযাত্রাও প্রভাবিত হতো, আর গোটা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে জড়িয়ে যাবার আশংকা তো ছিলোই।
দুটি রাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে মধ্যপ্রাচ্যের ইসরাইল, সৌদি আবর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার প্রাথমিক পর্যায়েই আমেরিকার পাশে এসে দাঁড়াতো। পক্ষান্তরে অবধারিতভাবেই ইরানের পাশে ইরাক, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী, লেবাননের হেজবুল্লাহ, সিরিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্র ও গোষ্ঠীগুলো এসে দাঁড়াতো। অর্থাৎ যুদ্ধের বিস্তৃতি ঘটার সমূহ আশংকা ছিলো। যুদ্ধের এই বিস্তৃতি গোটা বিশ্বকে প্রভাবিত করতো।
এটা অবধারিত সত্য যে, যুদ্ধের কারণে গোটা বিশ্ব দ্বিধা বিভক্ত হয়ে পড়ার সমূহ আশংকা ছিলো। প্রায় চিরাচরিত নিয়মেই ফ্রান্স, বৃটেন, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলো সহ ন্যাটো আমেরিকার পক্ষাবম্বন করতো এবং পক্ষান্তরে ইরানকে সমর্থন দিয়ে এগিয়ে আসতো রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া, ভেনেজুয়েলা প্রভৃতি রাষ্ট্র। প্রথম দিকে এসব রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ যুদ্ধে না জড়ালেও একটা সময় যে জড়াতো না তার কোনো নিশ্চয়তা ছিলো না-বিধায় বিশ্ব যুদ্ধের আশংকা উড়িয়ে দেননি বিশেষজ্ঞরা।
এসব আশংকা ও যুদ্ধের ভয়াবহতা বিবেচনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরানে হামলা শুরু করার নির্দেশ থেকে সরে আসার বিষয়টাকে ইতিবাচক বলে মনে করছেন বিশ্বের শান্তিকামী মানুষেরা। বিশ্ববাসী একটা যুদ্ধ সংকট থেকে আপাতত রক্ষা পেয়েছেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
তবে দেখার বিষয় হলো-ইরান এবং আমেরিকানদের মধ্যে যে কারণে শত্রুতা ও যুদ্ধাবস্থার ক্ষেত্র তৈরী হয়েছে, সে সংকটের কোনো সমাধান হয়নি বা আলোচনার জন্য এক টেবিলে বসতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছেন, এমন কোনো তথ্যও এখন অবধি পাওয়া যায়নি। ইরান কর্তৃক আমেরিকার ড্রোন ভূপাতিত করার প্রতিশোধ হিসেবে এককভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের নির্দিষ্ট স্থাপনায় হামলা করার আদেশ দিয়েছিলেন তার সশস্ত্র বাহিনীকে এবং আবার তিনিই এককভাবে সিদ্ধান্ত দিয়ে হামলা স্থগিত করেছেন।
হামলা স্থগিতের মধ্য দিয়ে ইরানের সাথে আমেরিকার জটিল শত্রুতার অবসান হয়নি বলেই যেকোনো সময় হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ইরানীদের মধ্যে যেমন শংকা রয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিক রাজনীতির পর্যবেক্ষকরাও মনে করছেন, ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলা করা থেকে পিছিয়ে গেছেন বলে মনে করলে ভুল হবে। কোনো এক কৌশলগত কারণে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন, একদম বাতিল করেননি বিধায় যেকোনো সুবিধাজনক সময় ইরানের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা পরিচালনা করার আশংকা বিদ্যমান আছে। যদিও কেউ কেই বলছেন, ইরানের ওপর হামলার আশংকা ৩০% থেকে ৪০% শতাংশ। তবে বেশির ভাগ পর্যবেক্ষকই মনে করেন-যুদ্ধের শংকা বিদ্যমান রয়েছে। কারণ শান্তিপূর্ণ সমাধানের কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
ইরানীদের ওপর আমেরিকানদের হামলা করার শংকা আছে কী নেই-তার বাস্তবসম্মত উত্তর পাওয়ার জন্য উভয় রাষ্ট্রের মধ্যেকার সংকটের মূল কারণ জানা দরকার। একদিনেই বা ইরান কর্তৃক আমেরিকানদের ড্রোন ভূপাতিত করার ফলেই উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে শত্রুতাপূর্ণ সম্পর্কের সৃষ্টি হয়েছে তা নয়। এ শত্রুতার শুরু ১৯৭৯ সালের ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে।
ইরানের শাসক রেজা শাহ পাহলভী ছিলেন আমেরিকান শাসকদের প্রিয় বন্ধু। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকানদের স্বার্থের রক্ষক হিসেবে কাজ করেছিলো ইরানের রাজতান্ত্রিক শাসক রেজা শাহ পাহলভী ও তাঁর পরিবার। রাজতন্ত্র আর রেজা শাহ পাহলভী পরিবারের শাসন কর্তৃত্ব বহাল রাখতে আমেরিকান শাসকরা দশকের পর দশক ধরে ইরানের জনগণের মতামতের বিপরীতে গিয়ে রেজা শাহ পাহলভীর অগণতান্ত্রিক এবং অত্যাচারী শাসনকে সমর্থন (অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক, নৈতিক সর্বাধিক) যুগিয়ে গেছে আমেরিকান শাসকগোষ্ঠী।
১৯৭৯ সালে ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইরানে সংঘটিত ইসলামী গণবিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের শাসক রেজা পাহলভীর শাসনের পতন ও একই সাথে রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থারও অবসান ঘটে, ইরানকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে ইসলামিক শাসন কায়েম করা হয়। এরই সাথে আমেরিকানদের সাথে ইরানের সম্পর্কের বৈপরীত্য শুরু হয়। নতুন বিপ্লবী সরকার কার্যত আমেরিকানদের শত্রু হিসেবেই এবং আমেরিকানরা ইসলামিক বিপ্লবকে নেতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখতে শুরু করে। এভাবেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে বৈরিতার শুরু এবং কালক্রমে সেটা চরম এক শত্রুতায় পর্যবসিত হয় এবং পরবর্তী এ দীর্ঘ সময়কালে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে এমনসব ঘটনার সৃষ্টি হতে থাকে যার পরিণতিতে এখন উভয় রাষ্ট্র যুদ্ধের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদনের প্রচেষ্টা বন্ধে ২০১৫ সালে ইরান বনাম ছয় জাতির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে আমেরিকানরাও চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ। জাতিসংঘ সহ গোটা বিশ্ববাসী এ চুক্তিকে অসাধারণ চুক্তি বললেও গোল বাধে আমেরিকানদের কারণেই। সে দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটদের পরাজয় এবং রিপাবলিকানদের বিজয়ে ২০১৬ সালে নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন চরম ইরান বিদ্বেষী ডোনাল ট্রাম্প।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবার পরপরই ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বিষোদগার শুরু করেন এবং অভিযোগ করেন ইরান বিশ্বশক্তিগুলোর সাথে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত মেনে চলছে না এবং এক পর্যায়ে আমেরিকাকেই ঐ চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন ট্রাম্প। ফলে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে শত্রুতার সংকট গভীর হতে থাকে ধাপে ধাপে। শুরু হয় উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে হুমকি-প্রতি হুমকি ও বাগ্যুদ্ধ।
হুমকি-প্রতি হুমকি সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ছয়টি বাণিজ্যিক ট্রাংকারের ওপর সশস্ত্র হামলার কারণে। কে বা কারা এ হামলা করেছে তা তদন্তপূর্বক নির্ধারিত হওয়ার আগেই ট্রাম্প অভিযোগ করেন এ হামলার জন্য ইরান দায়ী। বেশ, শুরু হয়ে যায় সামরিক উত্তেজনা। ইরানকে মোকাবেলা ও সম্ভাব্য হামলার জন্য আমেরিকা উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক সমাবেশ ঘটাতে শুরু করে, মোতায়েন করে আধুনিক যুদ্ধ জাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার ও বি-৫২ বোমারু বিমানসহ অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা মিসাইল।
উভয় রাষ্ট্রের শত্রুতা যখন তীব্র এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে তখন গত সপ্তাহে ঘটে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী আরেক ঘটনার। ইরানের আকাশ সীমায় প্রবেশ করার কারণে ইরান আমেরিকান গুপ্তচর ড্রোন বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও আমেরিকান ড্রোন বিমানটি ইরানী আকাশ সীমায় প্রবেশ করায় এটা ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেন ইরানের এলিট রেভ্যুলেশনারী গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) এর একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল আমির আলী হাজীজাদেহ।
আমেরিকানরা অবশ্য ইরানীদের বিপরীত কথা বলছে। আমেরিকানদের ভাগ্য তাদের ড্রোন বিমান আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থান করছিলো, এটা হরমুজ প্রণালীর ওপর দিয়ে উড়ছিলো। ইরান আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে ড্রোন বিমানের ওপর মিসাইল হামলা করেছে বলে অভিযোগ আমেরিকানদের। সাথে সাথে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন এ হামলার উপযুক্ত প্রতিশোধ নেওয়া হবে। ইরানের ওপর হামরা চালাতে ট্রাম্পকে উত্তেজিত করে তুলতে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন চরম ইরান বিদ্বেষী ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পাম্পেও, এমনটা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে ইরানের নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুতে হামলার আদেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প তার আদেশ প্রত্যাহার করে হামলা না করার জন্য পাল্টা আদেশ জারি করায় আপাতঃ যুদ্ধ সামাল দেওয়া গেলেও উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হবে না, এমনটা নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যাচ্ছে না এখনো। অর্থাৎ বিষয়টা অনিশ্চিত। ট্রাম্প সামরিক সংঘাত এড়িয়ে যাবেন বলে কেউই বিশ্বাস করতে চাইছে না। কারণ তিনি জোর দিয়েই বলে চলেছেন সকল পর্যায়ে ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে আমেরিকা প্রস্তুত।
ইরানীরা অবশ্য আমেরিকানদের একদম আস্থায় নিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের আমেরিকান স্টাডিজ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ মারান্ডি। তিনি বলেন, ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক হামলা থেকে সরে এসেছেন, এমনটা খুব কম ইরানীরাই বিশ্বাস করে।
ইরানীদের তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল দ্বারা আমেরিকার অতি উন্নত প্রযুক্তি (স্টীলথ প্রযুক্তি) দ্বারা তৈরি ড্রোন বিমান ভূপাতিত করায় বিস্মিত আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর প্রতিশোধ নেবেন না, এমনটা মনে করার কোনো কারণ নেই, ট্রাম্প পূর্বাহ্নেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন, যেকোনো ইরানী আক্রমণের অত্যন্ত কঠোরতরভাবে জবাব দেওয়া হবে, ইরানকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়া হবে।
ইরানীয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডল ইস্টার্ন রাজনীতির অধ্যাপক ট্রিটা পারসি মনে করেন, হামলার আদেশ দিয়ে তা প্রত্যাহার করার মাধ্যমে ট্রাম্প ইরানকে এ মর্মে সতর্ক বার্তা প্রদান করেছেন যে, আমেরিকা কঠোরভাবে ইরানের ওপর হামলা চালাতে সক্ষম এবং প্রস্তুত। উভয় পক্ষকে তাই ‘সংকট সমাধানে আলোচনার টেবিলে আসা উচিত’-বলেন মিঃ পারসি। তিনি আরও মনে করেন,-‘এটা খুবই জটিল এক অবস্থা।’ ‘না ইরানীয়ান বা না আমেরিকান,-কোনো পক্ষই যুদ্ধে কিছু অর্জন করতে পারবে না। এটা সম্পূর্ণ লোজ-লোজ (ক্ষতিকর) অবস্থা’-বলছেন মি: পারসি।
অন্যদিকে, গোল্ডম্যান সাসেস এর বৈশ্বিক কমোডিটিজ গবেষণা প্রধান সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন-এ সময়কালে কোনো পক্ষই অনতিক্রম্য কোনো পদক্ষেপ নেবে না (মন্তব্য মিঃ জেস কুরি) এমনটা প্রত্যাশা করা যায়।
অন্যদিকে, ইউরেশিয়া গ্রুপের রাজনৈতিক ঝুঁকি বিষয়ক কনসালটেন্সী মনে করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধে ঝুঁকি ৩০% থেকে ৪০% শতাংশ। অবশ্য বিজিনেস ইনসাইডারে প্রকাশিত অন্য এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উভয় দেশ যুদ্ধের একদম কিনারে দাঁড়িয়ে আছে এবং সেটা হবে উভয় পক্ষের জন্যই মারাত্মক বিপর্যয়কর। লন্ডন কিংস কলেজের স্কুল অব সিক্যুরিটি স্টাডিজের অধ্যাপক এনড্রিয়েস ক্রেইগ বলেছেন-ওয়াশিংটন ও তেহরান এমন এক উত্তেজক পয়েন্টে পৌঁছেছে যে, যেকোনো সময় যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে। তিনি মনে করেন সংকট সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি।’ বিশ্বের শান্তিপ্রিয় মানুষেরও কাম্য যুদ্ধ পরিহার করা।
লেখক : আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

