দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলংকায় তিনটি গির্জা ও চারটি হোটেলসহ আট স্থানে সিরিজ বোমা হামলায় ২৯০ জন নিহত হয়েছেন। আহত আরও ৫ শতাধিক। রোববার সংঘটিত এ নৃশংস ঘটনায় ভারত মহাসাগরের ছোট্ট-সুন্দর দেশটি শোকে স্তব্ধ। আত্মঘাতী হামলার পর দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
সোমবার মধ্যরাত থেকে পুরো শ্রীলংকায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এছাড়া রাজধানী কলম্বোতে টানা দ্বিতীয় রাতের মতো কারফিউ জারি হয়েছে। সোমবার রাত ৮টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এই কারফিউ বলবৎ থাকবে। হতাহত পরিবাবের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছে শ্রীলংকা সরকার। জামাত আল-তাওহিদ আল-ওয়াতানিয়া নামের একটি জঙ্গিগোষ্ঠী এই বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্বনেতারা শোক প্রকাশ করে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
রোববার দেশটির খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের সকাল শুরু হয়েছিল উৎসবমুখর পরিবেশে। ‘ইস্টার সানডে’র এ উৎসবে গির্জায় সমবেত হয়েছিল বহু মানুষ। এ দিনটিই রক্তাক্ত হয় আত্মঘাতীর হিংস থাবায়। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয় জনপদ। হামলায় নিহতের তালিকায় এক বাংলাদেশি শিশুসহ কমপক্ষে ৩৫ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।
শুদ্ধস্বর / এইচ বি

