নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে সুর চড়াচ্ছে মিজোরাম। বৃহস্পতিবারই ‘চিন জিন্দাবাদ’ স্লোগান-পোস্টারে মিছিল বেরিয়েছিল আইজলে। দেওয়া হয়েছিল প্রজাতন্ত্র দিবস বয়কটের ডাক। আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত করে শনিবার প্রায় ফাঁকা মাঠেই প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করলেন মিজোরামের গভর্নর কুম্মানাম রাজশেখরন। মন্ত্রী, বিধায়ক এবং কিছু আমলা ছাড়া এই অনুষ্ঠানে প্রায় কেউই ছিলেন না বলে জানানো হয়েছে মিজোরাম পুলিশের তরফে।
প্রথামাফিক প্রজাতন্ত্র দিবস পালনে কোনও ত্রুটি ছিল না মিজোরামের রাজধানী আইজলে। ছয় কোম্পানি সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে অংশ নেয় আরও ৩০ কোম্পানি অন্যান্য বাহিনীও। যদিও আয়োজনই ছিল সার। নিয়মমাফিক প্রজাতন্ত্র দিবস, রাজ্যপালের ভাষণ, ছিল সবই, কিন্তু তা দেখার জন্য হাজির ছিলেন না কেউই। একই পরিস্থিতি ছিল মিজোরামের অন্যান্য জেলা শহরেও। কোথাও কোথাও আমলা এবং সরকারি কর্তারাও ছিলেন না। বাধ্য হয়ে ডেপুটি কমিশনাররাই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে দায় সারেন। মহকমা এবং ব্লক স্তরেও ছবিটা ছিল এইরকমই।
সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। তা চরম রূপ নিয়েছে মিজোরামে। সেই কারণেই প্রজাতন্ত্র দিবস বয়কটের ডাক। বয়কটের ডাক দিয়েছিল এনজিও কো-অর্ডিনেশন কমিটি, যার ছাতার তলায় আছে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশও।সূত্র আনন্দবাজার পত্রিকা

