কথা যাতে বন্ধ না হয় , সবাই মিলে গণতন্ত্রকে বিজয়ী করুন ।

রাজনীতি আবার অনিশ্চয়তায়, প্রধান বিরোধী জোটের প্রস্তাবে সরকারের না  পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে  । সংলাপ শুরু হওয়ার পর মানুষের মনে আশা ছিল একটি সমাধান আসবে , এখন বিতর্ক চলছে সংবিধান নিয়ে সংবিধানে কি আছে কি নেই , সংবিধান খুব জটিল বিষয়, সংবিধানের ব্যাখ্যা বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন রকমের কোনটা ঠিক আর কোনটা ঠিক নয় তা বোঝার সক্ষমতা সাধারণ মানুষের নেই , মানুষ চায় তার ভোট দিতে এবং সেই ভোট ঠিক মতো গননা হয়ে ভোটের ফলে প্রতিফলিত হবে , এটাই মানুষের প্রত্যাশা । মানুষের এই প্রত্যাশা কিভাবে পূরণ হবে তাই আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হওয়া উচিৎ যেকোনো মূল্যে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তা ব্যক্তিদের দায়িত্ব , এটা না করতে পারলে আপাতত পার পাওয়া গেলেও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে  এই ব্যর্থতার জন্য রাষ্ট্র দায়ী থাকবে , ভোটাধিকার না থাকলে সংবিধানও অবমাননা করা হয় , কারন সংবিধানে প্রত্যেকটি নাগরিকের ভোটের অধিকার দেয়া আছে , অতীতে প্রয়োজনে অনেকবার সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে , সংবিধান যদি জনগনের জন্য হয় তা হলে জনগনের জন্য  একবার নয় বহুবার  সংবিধান সংশোধন করা যায় । এটা বিশেষ কোন দলের জন্য নয় , এটা গণতন্ত্রের জন্য । আশা করছি আমাদের রাজনীতিক রা বাস্তব পরিস্থিতির বাস্তব বিশ্লেষণ করে একটি সমাধান খুঁজে বের করবেন, সব দল যদি ক্ষমতার বাইরে থেকে নির্বাচন করতে পারে তা হলে দেশের বৃহত্তর  ক্ষমতাসীন  দল ক্ষমতার বাইরে এসে নির্বাচন করতে অসুবিধা কোথায় , এই বিষয়টা তাদের অনুধাবন করতে হবে , নির্বাচনে মানুষকে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করার নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হলে  অবশ্যই আলাপ আলোচনা করে একটি বাস্তবসম্মত পথ বের করতে হবে, রাজনীতি ব্যক্তিগত বিষয় নয় , এখানে ব্যক্তিগত   জয়পরাজয়য়ের কিছু নেই , গনতন্ত্রকামী প্রত্যেকটি দলের উচিৎ গণতন্ত্রকে বিজয়ী করা , আরেকটি বিষয় এখেনে বলা দরকার কোন কোন দলের নেতারা বলছেন সংবিধানের বাইরে গেলে অন্ধকারের শক্তি ক্ষমতায় আসতে পারে , এই অন্ধকারের শক্তি কারা তাও স্পষ্ট করা উচিত । নইলে একটি বিভ্রান্তি থেকেই যাবে । রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই ,আরও কথা হোক , বরফ গলে যাক  এটাই প্রত্যাশা ।

হাবিব বাবুল, প্রধান সম্পাদক ,শুদ্ধস্বর ডট কম ।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.