ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এমপিও ভুক্তির দাবীতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের অনশন ভাঙাতে গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরল ইসলাম নাহিদ, কিন্তু নাহিদের আশ্বাসে আস্থা রাখতে পারেন নি শিক্ষকরা । ২৬ শে ডিসেম্বর থেকে শিক্ষকরা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন ৩১ শে ডিসেম্বর থেকে তারা অনশনে যান ।সেখানে অনশনরত শিক্ষকরা আশ্বাস নয় সুনির্দিষ্ট ঘোষণা চাইছেন ।বাংলাদেশে প্রথামিক সহকারী শিক্ষকরাও কয়েকদিন আগে ঢাকায় বেতন বৈষম্যের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন করেছিলেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মোশাহিদা সুলতানা লিখেছেন দেশের উন্নয়নের উপরিভাগে যা দেখা যায়, তার উলটো চিত্র মিলবে প্রেস ক্লাবের সামনে গেলে। অনেক অনশনরত শিক্ষক বলেছেন তাদের স্কুলে দালান কোঠা হয়েছে স্খুল সংস্কার হয়েছে কিন্তু শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার সময়ই সরকার উদাসীন থাকছে । তারা বলেন ১ হাজার ১১৬ কোটি টাকায় মাধ্যমিক স্কুলে চলন্ত সিঁড়ি বানানোর অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পে সরকার যতটুকু উৎসাহী শিক্ষকদের বেতনের বিষয়ে ততটাই তারা উদাসীন, কারন এ সব প্রকল্পে লুটপাটের সুযোগ আছে। তার বলেন চলন্ত সিঁড়ি বানানোর জন্য নির্ধারিত বরাদ্দই বলে দেয় টাকা বা বাজেট কোন সমস্যা নয় সমস্যা হচ্ছে সরকার শিক্ষকদের জন্য কিছু করতে চান কি না । এই পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে আমাদের আবেদন থাকবে সরকারী কর্মচারী সহ সবার বেতনই বাড়ানো হয়েছে, জিনিসপত্রের দাম সহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে অনেক, শিক্ষকদের সহনীয় মাত্রায় ঘুষ খওয়ারও সুযোগ নেই, সেখানে স্পীড মানিও নেই , এই বেতনের উপরই তারা নির্ভরশীল, তাই তাদের দাবী অবশ্যই বিবেচনার নেয়া উচিৎ । মানুষ গড়ার কারিগররা যদি দারিদ্র্য সীমার নীচে বাস করে তা হলে এর থেকে লজ্জার কিছু নেই ।
হাবিব বাবুল
সম্পাদক

