রায়ে সন্তুষ্ট রামিসার বাবা, দ্রুত কার্যকরের দাবি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ভিকটিমের বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নান মোল্লা।

রোববার (৭ জুন) আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার পর এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

এদিন বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার আদালত আলোচিত এ মামলার রায়ের জন্য রোববার দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে ঘটনাটি ঘটে। পরদিন শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং লাশ গোপনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়।

ঘটনার চার দিনের মাথায় তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে আদালত অভিযোগ গঠন করে দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন। অভিযোগপত্রভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা হয়।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার গত ১৯ মে সকালে নিখোঁজ হয়। পরে প্রতিবেশীর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে এবং তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.