শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, এই ভালোবাসা ও সম্মান শুধু কথায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়; সব প্রতিকূলতার মাঝেও যারা পাশে ছিলেন, তাদের সাহসই আমাকে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগাচ্ছে।
পাঠককের সুবিধার্থে পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—
প্রিয় বাংলাদেশের বন্ধুরা, বোনেরা ও ভাইয়েরা, গত শুক্রবার দিনটা সারা জীবনের জন্য আমার হৃদয়ে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এই ফিরে আসা নিয়ে আমার আর আমার পরিবারের মনে যে ভালোবাসা আর সম্মান কাজ করছে, তা শুধুমাত্র কথায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি দায়িত্বশীলতা ও যত্নের সঙ্গে দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
আমি অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা আমার দেশে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছেন। গণতন্ত্র, বহুদলীয় সহাবস্থান এবং জনগণের অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর জোর দেওয়া এসব ভাবনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির আশাবাদ এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানকেও আমি গুরুত্ব দিচ্ছি। এসব পরামর্শ আমি বিনয় ও সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করছি।
গতকাল (২৫ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার) আমি শুধু কোনো স্বপ্নের কথা বলিনি, আমি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি বাস্তব পরিকল্পনার কথা বলেছি; যে বাংলাদেশে শান্তি ও মর্যাদা থাকবে, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিজেকে নিরাপদ ও সম্মানিত মনে করবে, আর প্রতিটি শিশু আশার আলো নিয়ে বড় হবে।
এই পরিকল্পনা সব বাংলাদেশির জন্য। একটি ঐক্যবদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের জন্য। সবাইকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মতো বাংলাদেশের জন্য।
দেশে ফিরে আসার সময় আমাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আল্লাহ বাংলাদেশকে এবং আপনাদের সবাইকে সব সময় তার রহমতে রাখুন।

