রোববার (২২ জুন) ইউএস সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এ তথ্য জানায়।
শুমার বলেন, ‘এ ধরনের বড় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কংগ্রেসের সাথে আলোচনা করা উচিত ছিল। এটি একটি গুরুতর সাংবিধানিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই হামলা কি আসলে ইরানের সাথে উত্তেজনা আরো বাড়ানোর একটি কৌশল, নাকি এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য ছিল।
এদিকে, এই হামলার পর ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ইতিহাসের পাতায় লেখা হবে। সেই সাথে ট্রাম্পের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
গিদিওন সার ট্রাম্পের হামলা করার সিদ্ধান্তকে ‘সাহসী সিদ্ধান্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি আরো যোগ করেছেন যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ নেতৃত্ব দিয়েছেন।

