ট্রেনে থেকে নিঁখোজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জুয়েল ওরাঁও। দিল্লি থেকে জব্বলপুর যাওয়ার সময় তিনি ট্রেন থেকে নিখোঁজ হন বলে খবর। পরে ১৬২ কিমি দূরে অন্য একটি ট্রেন থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ওরাঁও ওড়িশার সুন্দরগড় লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ। উপজাতি বিষয়ক মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন জুয়েল ওরাঁও। গত ৩ মে (শনিবার) দিল্লির হযরত নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশন থেকে গন্ডোয়ানা এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন তিনি। মন্ত্রী গন্তব্য ছিল মধ্যপ্রদেসের জব্বলপুর। নবভারত টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ৪ঠা মে সকালে মধ্যপ্রদেশের দামোহ রেলওয়ে স্টেশনে মন্ত্রীর আসনটি খালি দেখে শোরগোল পড়ে যায়।
এরপরই খবর জানাজানি হলে নিখোঁজ মন্ত্রী জুয়েল ওরাঁওকে খুঁজতে তৎপর হয়। শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। প্রায় তিন ঘন্টারও বেশি সময় ধরে খোঁজাখুঁজির চলে। এরপর প্রায় ১৬২ কিলোমিটার দূরে মধ্যপ্রদেশের সিহোরা রোড রেলওয়ে স্টেশনে সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস ট্রেনে আহত অবস্থায় জুয়েল ওরাঁকে পাওয়া যায়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ, রবিবার ভোর ৩.৪৫ মিনিটে দামোহ স্টেশনে নেমেছিলেন মন্ত্রী। হঠাৎ তাঁর রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। ট্রেনটি চলতে শুরু করলে তিনি ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু, পিছলে পড়ে যান। তাতেই আহত হন তিনি। গন্ডোয়ানা এক্সপ্রেস ধরতে না পারায় মন্ত্রী অন্য প্ল্যাটফর্মে আসা সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠে যান।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ওরাঁওয়ের ব্যক্তিগত সহকারী জানিয়েছেন যে, মন্ত্রীকে হরদুয়া রেলওয়ে স্টেশনে নিখোঁজ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। পরে জানা যায় যে, ট্রেনটি সেখানে থামেনি। শেষে রবিবার সকাল ৬.৫৫ মিনিটে সিহোরা রোড স্টেশনে তাঁকে পাওয়া যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর জুয়েল ওরাঁওকে জবলপুরে নিয়ে আসা হয়।
কর্মীদের সতর্ক করা হয় এবং জবলপুরে পৌঁছানোর পর মন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। নবভারত টাইমস ডব্লিউসিআর-এর জব্বলপুর রেল বিভাগের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার (ডিসিএম) মধুর ভার্মা এবং সিহোরা স্টেশনে আরপিএফ পোস্ট ইনচার্জ রাজীব খার্বেরকে উদ্ধত করে এই খবর জানিয়েছে।
মন্ত্রীর নিঁখোঁজ নিয়ে বিভিন্ন খবর ছড়িয়েছিল। যেগুলিকে ভিত্তিহীন বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

